বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৫৭:০৪ পিএম

আলীকদমে ফিল্ম স্টাইলে ২ বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, আহত ৬

এস.কে খগেশপ্রতি চন্দ্র খোকন | জেলার খবর | বান্দরবন | লামা | শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০১৬ | ০২:৪৯:০৭ পিএম

পার্বত্য বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় চৈক্ষ্যং ইউনিয়নে শিবাতলী পাড়ায় গত  ১৭ আগষ্ট বুধবার গভীর রাতে প্রতিপক্ষের হামলায় বসতবাড়ি ভাংচুর ও ৬জনকে আহত  করার অভিযোগ উঠেছে। 
এ সময় হামলাকারীরা বিরোধীয় জায়গার মালিক নিয়অং মার্মা ও মো. হোসেনের ২টি পরিবারের ৬ জন সদস্যকে মারধর করে। 
এ ঘটনায় আহতরা  হলেন- নিয় অং মার্মা (৬০), মিসেস চাইনুমে মার্মা (২৫), আপ্রুচিং মার্মা  (৩০), মংচেনু মার্মা (৩৫), মো. হোসেন (৪৫) ও মিসেস কুসুম বেগম (৪০)।  আহতদের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 
সরেজমিনে জানা যায়, চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের শিবাতলী পাড়ায় জায়গা জমির  মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল সোহরাব হোসেন গং এবং নিয় অং  মার্মাদের মধ্যে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মঝে মামলা-মোকাদ্দমা চলছে। উক্ত জায়গায়  দীর্ঘদিন যাবৎ বসতঘর করে নিয়অং মার্মা ও মো. হোসেনের পরিবার বসবাস করে  আসছে। 
উক্ত জায়গাটি ১৯৮০-৮১ সালে নিয়অং মার্মার শুশুর মৃত উথোয়াইচিং মার্মা  বন্ধোবস্তী লাভ করে। ২২৭নং তৈন মৌজার ৩১৯ ও ৩৩৮ নং হোল্ডিং ২টি ওয়ারিশ সূত্রে  মালিক নিয়অং মার্মার স্ত্রী উসাইন্দা মার্মানী।  
স্থানীয় বাসিন্দা মংচিং মার্মা সহ আরো অনেকে জানান, স্থানীয় সোহরাব  হোসেন, আমির হোসেন এই তিন ভাইদের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি দল বুধবার  রাত দুইটার সময় বাড়ি ঘর ভাংচুর ও ঘরের বাসিন্দাদের মারধর করেছে। 
বাড়িটিতে  একটি মার্মা ও একটি বাঙ্গালী পরিবার বসবাস করত। কয়েক বছর আগে হামলাকারী  সোহরাবের পিতা সুজা মিয়া অত্র এলাকায় আসে।  স্থানীয় ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ হোসেন জানান, সোহরাব হোসেন ও তার  ভাইয়েরা নিয় অং মার্মা ও মো. হোসেন পরিবারের বাড়ি ঘর ভাংচুর করেছে। ক্ষতিগ্রস্থ  পরিবারের লোকজন আমাকে অভিযোগ করেছেন। 
হামলাকারী অভিযুক্ত আমির হোসেন বলেন, আমার বড় ভাই সোহরাব হোসেন  বাদী হয়ে নিয়মং মার্মা ও মো. হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে। জায়গার  মালিক আমরা।  জমির বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন আলীকদম থানার  অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। 
তবে  এ পর্যন্ত থানায় অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওযা হবে।  স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান জানান, ঘটনার পর আমি ঘটনাস্থল  পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্থ বাসিন্দারা এ ঘটনার জন্য সোহরাব হোসেনদের দায়ী করছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন