বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৫১:৩৮ পিএম

লালমনিরহাটে কালীমন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ

উত্তম রায় | জেলার খবর | লালমনিরহাট | বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৬ | ১১:২১:৪৪ এএম

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় শ্বশ্মান কালীমন্দিরে অগ্নিসংযোগসহ প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বত্তরা। একই সঙ্গে ওই মন্দিরের জিনিসপত্র ভাংচুর করার অভিযোগ। মঙ্গলবার উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের শিয়াল খোওয়ার মাষ্টারপাড়া এলাকায় গভীর রাতে ওই মন্দিরের দুটি প্রতিমা ভাংচুরের পাশাপাশি অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে। মন্দিরের তিনটি প্রতিমার ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় লোকজন। 

তবে স্থানীয়দের দাবী হিন্দু ও মুসলিম এই এলাকায় নেই ভেদাভেদ। মন্দিরটি ঘিরে মানুষের ভীড়। চোখে-মুখে উৎকন্ঠা নিয়ে তাঁরা মন্দিরের ভাংচুর হওয়া প্রতিমা দেখছে। মন্দিরের ভিতর বেদিতে লুটাচ্ছে ভাংচুর হওয়া তিনটি প্রতিমা। 

এলাকা ঘুরে ওই এলাকার বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আতংক দেখা গেছে। তবে এসময় মন্দিরের ভিতরে থাকা পূজা অর্চণার জিনিসপত্র ও আসবাবপত্র লুটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। 

মন্দির কর্তৃপক্ষ বলছেন, এ এলাকার হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে কোন ধরনের বিভেদ নাই। তবে, এ ধরনের নেক্কারজনক ঘটনা যারা করেছে, তারা অমানুষ। হিন্দু মুসলমানের মধ্যে সম্প্রীতির ভাঙ্গন সৃষ্টির জন্য একটি মহল হয়তো এমন হীন অপকর্ম করতে করতে পারে।

কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এস,আই) আব্দুর রাজ্জাক ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন এবং মন্দির কমিটির অভিযোগ বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। তদন্তের মাধ্যমে দোসীদের খুজেঁ বের করে আইনে সোপর্দ্দ করা হবে বলে তিনি জানান। 

এদিকে খবর পেয়ে চলবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’ 

লালমনিরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি সার্কেল) সোহরাওয়ার্দি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান,মন্দির কমিটির সভাপতি পুষ্পজিৎ রায় ও সাধারণ সম্পাদক বিমল কুমার সরকারকে কালীগঞ্জ থানায় মামলা করতে বলা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক দ্রুত অপরাধীদের সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন