বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯ ০৫:১১:৫৬ এএম

গাছ কেটে ফেলছেন বাগান মালিকরা, হুমকির মুখে রাবার শিল্প

সৌরভ আদিত্য, শ্রীমঙ্গল থেকে | জেলার খবর | মেীলভীবাজার | শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ | ০২:৪৩:৩৭ পিএম

স্বাধীনতা পরবর্তী আশির দশকে ‘সাদা সোনা’ নামে পরিচিত রাবার শিল্প আজ ধ্বংসের প্রায় দ্বারপ্রান্তে।

ওই সময় থেকে রাবারের চাহিদা ও যোগানের সমতা, সরকারের পৃষ্টপোষকতা, উদ্যোক্তাদের আগ্রহ রাবার চাষ প্রকল্প বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো।

দেশের প্রায় ৭০ হাজার একর ভূমির উপর গড়ে উঠেছিলো সরকারী বেসরকারী অসংখ্য রাবার বাগান।

স্বাধীনতার পর বিদেশ থেকে রাবার আমদানীর বিকল্প হিসেবে উৎপাদনে উৎসাহ দেয়ার প্রায় অর্ধশতাব্দির মাথায় আবার এই দেশের সরকার ও উদ্যোক্তা আমদানীনির্ভর হওয়ায় রাবার বাগান মালিকরা চরম হতাশায় ভোগছেন। আর গত ৫ বছর লাগাতার দরপতনে এই হতাশা রূপ নিয়েছে প্রকট আকারে। কেউ বাগানের গাছ কেটে ফেলেছেন, কেউবা বাগান বন্ধ রাখেছেন।

রাবার কাঁচামাল কৃষি পন্য হওয়া সত্ত্বেও শিল্প পন্য হিসেবে দেশের বাজারে ভ্যাট দিতে হচ্ছে ১৫ শতাংশ। অথচ রাবার কাঁচামাল বাজার উপযোগী করতে প্রতি কেজিতে খরচ হয় বর্তমান বিক্রি মূল্য থেকে প্রায় ৯০ টাকা বেশী।

রাবার সংগ্রহের উৎকৃষ্ট সময় নভেম্বর থেকে ফেব্র“য়ারী মাস পর্যন্ত। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কম হওয়ার কারণে এই সময়ে দেশের বাগান মালিকরা রাবার সংগ্রহ করতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন। আমদানীকৃত রাবারের তুলনায় দেশীয় রাবারের উপর করভার বেশী হওয়ায় অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে দেশীয় উৎপাদিত রাবার।

আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন এবং দেশীয় রাবারের উপর করভার বেশী হওয়ায় উদ্যোক্তারা বিদেশী রাবার ক্রয় করছেন। সরকারের অবহেলা এবং উদ্যোক্তাদের দেশীয় বাজারের প্রতি উদাসীনতায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন