বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ০৬:১৬:৩৫ এএম

ভূমিকম্পে ২ জনের মৃত্যু, আহত ১০

জেলার খবর | মেীলভীবাজার | বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০১৭ | ১০:১২:৪০ এএম

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দুই দুই বার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। এ সময় আতঙ্কে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সুনামগঞ্জে এক বৃদ্ধ ও এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে।

ভূমিকম্পে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন স্থানে মঙ্গলবার দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ও ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে কমলগঞ্জ উপজেলার কুমড়াকাপন গ্রামের জমি ফেটে পানি বের হয়ে আসে। এ ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৯ মিনিটে ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছাকাছি ত্রিপুরার আমবাসা থেকে ১৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৬.১ কিলোমিটার গভীরে।

এদিকে বুধবার দিবাগত রাত ১২:৪৯ মিনিটেও ভূকম্পন অনুভূত হয়। এক্ষেত্রে এখনও ক্ষয়ক্ষতির কোন খবর পাওয়া যায়নি।

ইউএসজিএস জানায়, ৫ দশমিক ১ মাত্রার এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল মায়ানমারের মাওলাইক, সাগাইন থেকে ৩৯ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ পূর্বে এবং গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৯৩ দশমিক ২ কিলোমিটার।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামছুদ্দিন আহমেদ জানান, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ১৭৬ কিলোমিটার দূরে।

ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ছাতক উপজেলার শামসুল হকের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে সায়মা আক্তার (১৪) ও জগন্নাথপুর উপজেলার হিরণ মিয়ার (৬০) মৃত্যু হয়েছে।

জানা গেছে, সায়মা আক্তারের বাবা শামসুল হক ছাতক সিমেন্ট কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তিনি কারখানার ভেতরে একটি চারতলা ভবনে পরিবার নিয়ে থাকেন। ভূমিকম্পের সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে চারতলা থেকে দৌড়ে নিচে নামার সময় সিঁড়ি থেকে ছিটকে পড়ে যায় সায়মা। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সায়মা আক্তার ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন