বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৭:০৪:১৭ পিএম

ফাঁসির রায়ে নূর হোসেনের বাড়ি নিস্তব্ধ, স্বস্তি ফিরেছে না.গঞ্জে

জেলার খবর | নারায়ণগঞ্জ | মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৭ | ১১:৩৫:০৬ এএম

বাড়ির ফটকে দাঁড়িয়ে চার যুবক ফিসফিস করে কথা বলছেন। পাশে মোটরসাইকেল রেখে কাছে গিয়ে কথা বলতে চাইলে সরে যান তাঁরা। একজন অন্যজনকে বলছিলেন, সাংবাদিক আবার কেন আসছে! ইশারা দিয়ে বাড়ির ভেতরে যেতে বলেন তাঁদেরই একজন। ফটক পেরোতেই দেখা গেল বাড়ির ভেতরে ১০-১৫ জন নারী দাঁড়িয়ে আছেন।

পাশেই তিনটি গাড়ি রাখা। এগিয়ে যেতেই নারীরা বাসার ভেতরে ঢুকে পড়লেন। চৌহদ্দির মধ্যে তিনটি বাড়িতেই মানুষজন আছে বলে আলামত পাওয়া গেল; তবে কারো কোনো সাড়াশব্দ নেই। গতকাল সোমবার সকাল ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় সাত খুনের মামলায় আলোচিত আসামি নূর হোসেনের বাড়ির দৃশ্যপট ছিল এমনই।

ততক্ষণে নূর হোসেনসহ তাঁর সহযোগীদের ফাঁসির রায়ের খবর পুরনো হয়ে গেছে। প্রতিক্রিয়া জানতে স্বজনদের খোঁজে এই প্রতিবেদক অবস্থান করছিলেন নূর হোসেনের বাসার সামনে। কিছু সময় পর বাসা থেকে বেরিয়ে দ্রুত হেঁটে চললেন নূর হোসেনের বড় ভাই হাজি নূরুল ইসলাম।

তাঁর সঙ্গে আরো তিনজন। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে বলে গেলেন, ‘আমরা আর কী বলব? হইছে যা হবার! এখন উচ্চ আদালতে যাব। আপনি যান, আমাদের আর কিছু বলার নাই। ’ হাজি নূরুল ইসলাম চলে যাওয়ার পর নূর হোসেনের স্ত্রীর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন এ প্রতিবেদক।

এ সময় এগিয়ে এলেন আরো দুই যুবক। তাঁদের একজন বলেন, ‘আপনাদের মনের আশা পূর্ণ হইছে। আর কী করতে চান? আমাদের মনটন ভালো নাই। যান ভাই। ’ তাঁদের পরিচয় জানতে চাইলে খেপে যান তাঁরা। টেনে, ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দিয়ে ফটক লাগিয়ে দেন দুজন।


গতকাল সাত খুন মামলার রায়ের পর নূর হোসেনের বাড়িতে গিয়ে এমন পরিস্থিতির শিকার হলেও হাসিমুখে স্বস্তির কথা শুনিয়েছে স্থানীয়রা। তারা বলেছে, নিহত সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিরোধে কোণঠাসা, সাত খুনের মামলায় এলাকা ছাড়ার পর ভারতে গ্রেপ্তার এবং অভিযানের কারণে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হলেও এত দিনেও ধ্বংস হয়নি নূর হোসেনের সাম্রাজ্য। কারাগারে বসেই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় তৎপর ছিলেন তিনি। তাঁর কিছু সহযোগী এলাকায় ফিরে ফের দখলে নেয় তাদের ‘সাম্রাজ্য’।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে নূর হোসেনের ভাতিজাসহ তিন সহযোগী কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তবে গতকালের রায়ের পর চূড়ান্তভাবে ধ্বংস হওয়ার মুখে পড়বে শিমরাইল-সিদ্ধিরগঞ্জে নূর হোসেনের অধিপত্য—এমন কথাই বলছে সবাই।

সাত খুনের মামলায় যে ২৬ জনের ফাঁসি হয়েছে তাদের মধ্যে নূর হোসেন ও তাঁর ৯ সহযোগী আছে। রায়ে র‌্যাব সদস্যদের মধ্যে কয়েকজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও নূর হোসেন ও তাঁর দণ্ডিত সব সহযোগীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা বলছে, এমন রায়ে এলাকায় সক্রিয় নূর হোসেনের সহযোগীদের মধ্যে এখন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সাত খুনের ঘটনা গণমাধ্যমের কারণে দেশে-বিদেশে আলোড়ন তোলায় দৃষ্টান্তমূলক রায় হয়েছে বলে মনে করছে সিদ্ধিরগঞ্জের বাসিন্দারা।

গতকাল দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকায় নিহত নজরুল ইসলামের বাড়িতে গিয়েও দেখা গেছে নীরবতা। ওই বাড়িতে নজরুলের ভাই নূর মোহাম্মদ, আবুল কালাম ও আবদুস সালাম থাকেন। তাঁদের প্রত্যেকের বাসায়ই তালা ঝুলছিল।

নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। প্রতিবেশীরা জানায়, গতকাল রায় শোনার জন্য সবাই আদালতে গেছেন। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রতিবেশী বলে, নজরুল ও নূর হোসেনের শত্রুতা অনেক পুরনো।

ইউনিয়ন পরিষদের সময়ই চেয়ারম্যান নির্বাচন এবং শিমরাইল এলাকা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল।


পরে তা চরম পর্যায়ে যায়। আর সাত খুনের প্রেক্ষাপটও এই মিজমিজি এলাকা থেকেই শুরু। নজরুলের বাড়ির পাশের কয়েকজন নূর হোসেনের পক্ষ নিয়েছিলেন।

তাঁদের মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন হাজি, বর্তমান স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর (যাঁর কাছে বিউটি হেরেছেন) এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইকবাল হোসেন, হাসমত আলী হাসু, ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান আরিফ অন্যতম।

সাত খুনের এক মাস আগে মিজমিজি এলাকায় রাস্তা তৈরি নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে ঝগড়া হয় নজরুলের। এরপর থেকে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

ওই প্রতিবেশী আরো বলেন, ‘অনেকের সঙ্গে বিরোধ থাকলেও চূড়ান্ত পরিকল্পনা আঁটছিলেন নূর হোসেনই। কারণ নজরুলের জন্য শিমরাইলে পুরোপুরি অধিপত্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছিল না নূর হোসেনের পক্ষে। এলাকার সব লোক এসব জানে। আর এ কারণেই রায় ঘোষণার পর সবাই বলাবলি করছে রায়টি দৃষ্টান্তমূলক হয়েছে। ’

মিজমিজির বাসিন্দা এবং দনিয়া এ. কে. স্কুলের সাবেক শিক্ষক আবু সাঈদ খান বলেন, ‘এলাকায় বিরোধ থাকতে পারে। অনেকেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতও থাকতে পারে। অপরাধের জন্য আইন আছে। তবে এমনভাবে সাতটা মানুষকে হত্যার পর পেট কেটে ইট বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়ার মতো জঘন্য কাজ কি মেনে নেওয়া যায়?

কোথাও এমন বর্বর অপরাধ হয়েছে? এ কারণে এ রায়ে আমরা স্বস্তি পেয়েছি। যারা কোনো না কোনোভাবে জড়িত কাউকে রেহাই দেওয়া হয়নি। এটি একটি দৃষ্টান্ত। এই এলাকার সন্ত্রাসীরা এখন ভয় পাচ্ছে। আর আমরা ভাবছি দেশে সরকার আছে। বিচার আছে। ’

শিমরাইল এলাকার মুদি-স্টেশনারি দোকানদার রহমত আলী বলেন, ‘সব ভাইর লোক আছে এলাকায়। আরো ভাই পয়দা হইছে। তবে এই বিচারে সব ভাইর খবর হইছে। সাধারণ মানুষ খুশি। ’

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ‘নূর হোসেন পলাতক বা জেলে থাকলেও তাঁর লোকজন এলাকায় আছে। অনেকে পরিবহনে চাঁদাবাজি, মাদক স্পট, জুয়ার আসরসহ অনেক কিছু করছে। তারা এখন ভয় পাবে। নূর হোসেন না ফিরতে পারলে তাঁর রাজত্ব সবই শেষ হবে। আমরা ভাবছিলাম তাঁর কিছু হবে না। এখন দেখি তাঁর চেলারাও (সহযোগী) ধরা খাইছে!’

রফিকুল ইসলাম নামে শিমরাইল এলাকার এক পরিবহন ব্যবসায়ী বলেন, ‘এই রায়ে সাধারণ মানুষ খুশি হয়েছে। আর এ জন্য সবচেয়ে বেশি ভূমিকা আপনাদের, মিডিয়ার। এসব লোক এখন আপনাদের ওপর ক্ষেপবে। কারণ, তাদের রাজত্ব মূলত ধ্বংস করেছেন আপনারা। ’ রফিকুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে নিরাপদে এলাকা ছাড়ারও পরামর্শ দেন।

স্থানীয়রা বলছে, সাত খুনের আগে সিদ্ধিরগঞ্জ-শিমরাইল এলাকার ট্রাকস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জুয়া ও অশ্লীল নৃত্য পরিচালনা করতেন নূর হোসেন। এই অবৈধ উপার্জন থেকে মাসে প্রায় ১০ লাখ টাকা শুধু একটি সংস্থাকেই উপঢৌকন হিসেবে দেওয়া হতো।

আর অন্যদের জন্যও ছিল বিরাট অঙ্কের টাকা। সাত খুন মামলার আসামিদের জবানবন্দি এবং চার্জশিটে এসব তথ্য উঠে এসেছে। নূর হোসেনের যেসব অনুসারী এই সেক্টরগুলো নিয়ন্ত্রণ করত, তারা পুনরায় নিজ নিজ এলাকায় শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে সক্ষম হয়।

নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী প্রধান বডিগার্ড মর্তুজা জামান চার্চিল, প্রধান ক্যাশিয়ার আলী মোহাম্মদ, ক্যাশিয়ার সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার সম্পাদক আবুল বাশার; মাদক স্পট, জুয়া ও অশ্লীল নৃত্য পরিচালনাকারী রহম আলী ও মিজানুর রহমান দণ্ডিত হয়েছেন। তবে চার্জশিটভুক্ত না হওয়ায় ছাড়া পেয়েছেন ১০ সহযোগী। তাঁরা হলেন—বডিগার্ড মহিবুল্লাহ, তানভীর, ইয়াসিন, আলমগীর, গাড়িচালক সোনা মিয়া, জুয়েল আহম্মেদ, মিজান, আবদুর রহিম, আরিফুজ্জামান ও রফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া এজাহারভুক্ত কিন্তু চার্জশিট থেকে অব্যাহতি পাওয়া আরো পাঁচজন হলেন—সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াসিন মিয়া, কাউন্সিলর ইকবাল, হাসমত আলী হাসু, থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রাজু ও আনোয়ার। তাঁরা সবাই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারলেও আছেন বহাল তবিয়তে।
সূত্র জানায়, নূর হোসেনের শ্যালক নূরে আলম খান পুলিশের খাতায় সন্ত্রাসী। ২০১৫ সালে রাজধানীর মহাখালীতে নূর হোসেনের (লাইসেন্স বাতিলকৃত) পিস্তলসহ ধরা পড়ার পরও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পালিয়ে যান। গত ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

নাসিক নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছিলেন নিহত সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। তিনি অব্যাহতি পাওয়া আসামি ইকবাল হোসেনের কাছে হেরেছেন। ইকবাল থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। ২০১৪ সালে নজরুলের মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে কাউন্সিলর হয়েছিলেন বিউটি। ওই সময় নূর হোসেনের অনেক সহযোগী ছিল পলাতক। তবে এবার তারা এলাকায় বীরদর্পে কাজ করেছে ইকবালের পক্ষে এবং বিউটির বিরুদ্ধে। সাত খুন মামলার এজাহারে ইকবাল ছাড়াও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াছিনকে আসামি করেছিলেন বিউটি।

৩ নম্বর ওয়ার্ডে এবারও জিতেছেন নূর হোসেনের ভাতিজা শাহজালাল বাদল। সাত খুনের পর তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে এলাকায় ফিরে এলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নূর হোসেনের ক্যাশিয়ার আরিফুল হক হাসান জিতেছেন। গত বছরের ২৮ এপ্রিল মদসহ আরিফুলকে র‌্যাব গ্রেপ্তার করেছিল। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে থানা যুবলীগের আহ্বায়ক মতিউর রহমানও নির্বাচিত হয়েছেন। সাত খুনের পর তিনিও অনেক দিন পলাতক ছিলেন। নূর হোসেনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সাত খুনের ঘটনায় নজরুলের সঙ্গে নিহত স্বপনের ভাই মিজানুর রহমান খান রিপন সাত নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচন করে হেরেছেন। এখানে জিতেছেন নূর হোসেনের ঘনিষ্ঠ আলী হোসেন আলা।

সূত্র মতে, নূর হোসেনের ভাই নুরুজ্জামান জজ এলাকায় ফিরেই কাঁচপুর সেতুর ঢালে ‘মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স’ নামে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বালুর ব্যবসা শুরু করেন। শিমরাইল ট্রাক টার্মিনালটির নিয়ন্ত্রণ ছিল মনিরের ভাই ছোট নজরুলের হাতে। কাউন্সিলর আরিফুল ও কাউন্সিলর বাদল এখন ট্রাকস্ট্যান্ডটি নিয়ন্ত্রণ করছেন। নূর হোসেনের ভাতিজা আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু এলাকায় ফিরে লেগুনা ও টেম্পোস্ট্যান্ড দখলে নিয়েছেন। সেখানে ৩০০ লেগুনা থেকে প্রতিদিন ১৫০ টাকা করে চাঁদা তোলা হয়। নূর হোসেনের ভগ্নিপতি রতন মোল্লা পরিবহন সেক্টরের দখল নিয়েছেন।

সাত খুন মামলার বাদী ও নিহত নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বলেন, ‘নূর হোসেন না থাকলেও তাঁর লোকজন এলাকায় সক্রিয় ছিল। সে জেলে বসে নাকি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। তার লোকজন আমাকে নির্বাচনে হারিয়েছে। কিন্তু রায়ের পর এখন স্বস্তি পেয়েছে মানুষ। তাদের অপরাধের দুর্গ এবার ভাঙতে পারে বলেও মনে করছে লোকজন। ‘আমি শুধু ন্যায়বিচার পেতে চাইছি। কার কী দখল থাকল তা আমার দেখার বিষয় নয়’—যোগ করেন বিউটি।

প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুল হাসান গতকাল বলেন, ‘এই সেভেন মার্ডারে নিহত বা দণ্ডিত কারো সঙ্গে আমার কিছু নেই। তাই এ ঘটনায় আমার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। ’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন হাজির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। নূর হোসেনের বড় ভাই হাজি নূরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের পরিবারের কেউ আজ (গতকাল) আদালতে যায়নি। আমরা অনেকে এ ঘটনায় চিন্তায় পড়েছি। উচ্চ আদালতে রিট করব। ’ অন্য আসামিদের ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।কালেরকণ্ঠ।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন