সোমবার, ২৬ জুন ২০১৭ ০৪:৩২:৪৪ এএম

দিনাজপুরে সাক্ষীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

জেলার খবর | দিনাজপুর | সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৭ | ০৮:৪৩:১২ পিএম

দিনাজপুরে চাঞ্চল্যকর শীর্ষ দুই জঙ্গির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অস্ত্র মামলায় সোমবার একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

আর আগামী ১৪ মার্চ পাঁচজন সাক্ষীকে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য হাজির হতে বিচারক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন। এ সাক্ষীরা এর আগের কয়েকটা নির্ধারিত দিনে সাক্ষ্য দিতে আসেননি।

সোমবার দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ হোসেন শহীদ আহমদের আদালতে এ চাঞ্চল্যকর মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। মামলার আসামি জেএমবির এহসার সদস্য গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম ওরফে ড্যানিস ওরফে জিৎ (২৮) ও লালমনিরহাটের সদর উপজেলার বানভাষা গ্রামের শামসুল আলম খন্দকারের ছেলে মোসাব্বিরুল আলম খন্দকারকে (৩০) দুপুর ২টায় কড়া নিরাপত্তায় জেল কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। দুই আসামির উপস্থিতিতে মামলার অভিযোগপত্রের ৩ নম্বর সাক্ষী বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া গুচ্ছগ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে আমির হোসেন (৩২) আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন। আসামি মোসাব্বিরুল আলম খন্দকারের পক্ষে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান চৌধুরী আইনজীবী নিযুক্ত হয়ে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক জামিন শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করেন।

আগামী ১৪ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করে পাঁচজন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন আদালত। সাক্ষীরা হলেন- এজাহারকারী এসআই শাহাদত হোসেন, অভিযোগপত্রের তালিকাভুক্ত সাক্ষী বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া গুচ্ছগ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোশাররফ হোসেন ও রফিকুল ইসলাম, একই উপজেলার প্রাণনগর গ্রামের মফিদুল হকের ছেলে ইমদাদুল হক ও রইস উদ্দীনের ছেলে মহিরউদ্দীন।

গত ২০১৫ সালের ১১ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় বীরগঞ্জ উপজেলার সিংড়া গুচ্ছগ্রামে সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে একে ৪৬ রাইফেল ও গুলিসহ অতর্কিত হামলা চালানোর সময় জনতা ধাওয়া করে ৪২ রাউন্ড গুলি ও ইউএসএ তৈরি একে ৪৬ রাইফেলসহ মোসাব্বিরুল আলম খন্দকারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তার সহযোগী শরিফুল ইসলামকে এ ঘটনার আগের দিন কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ ইসকন মন্দিরে বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি বর্ষণকালে জনতা অস্ত্রসহ আটক করে।

শীর্ষ এ দুই জঙ্গির বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ১১ ডিসেম্বর বীরগঞ্জ থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে। মামলাটি ডিবি পুলিশ তদন্তকালে আটক এ দুই আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ মামলায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করলে মামলাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচার শুরু হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) এ সদস্যের বিরুদ্ধে দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় কমপক্ষে ২৪টি মামলা রয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন