শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭ ০৭:৪৯:৫৮ এএম

নেত্রকোনায় তিন শ্রমিকের লাশ কবর থেকে উত্তোলন

জেলার খবর | নেত্রকোনা | মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০১৭ | ১০:৫৩:৪১ পিএম

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরেফিন টিলায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের সময় টিলা ধসে নিহত তিন শ্রমিকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

দাফনের আটদিন পর আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নেত্রকোনা সদর উপজেলার কর্নখলা শালজান গ্রামের মসজিদের পাশ থেকে দুই শ্রমিক ও নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান থেকে একজন শ্রমিকের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।তারা হলেন- ওই গ্রামের জইন উদ্দিনের ছেলে জাহের উদ্দিন (৪০), আবদুর রশিদের ছেলে আল হাদি (২০) ও মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে কাদির মিয়া (২০)। কাদির মিয়ার লাশ পারিবারিক কবরস্থান থেকে উঠানো হয়েছে।

গত ২৩ জানুয়ারি শাহ আরেফিন টিলা কেটে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের সময় পাথরের নিচে চাপা পড়ে ছয় শ্রমিক নিহত হন। এ সময় বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন। এর মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি নেত্রকোনায়।

নেত্রকোনার অন্য দুইজন হলেন- পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া গ্রামের খোকন মিয়া (৩৫) ও কান্দাপাড়ার আবদুল কদ্দুস ওরফে আসিফ (২৫)।

পূর্বধলার দুইজনের লাশ ঘটনার পর দিন পূর্বধলা থানা পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। বাকি তিনজনের লাশ কবর থেকে উঠানো হলো।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন জানান, নিহত শ্রমিকদের লাশ গোপনে ঘটনাস্থল থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে রাতের আঁধারে কবর দেওয়া হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য লাশগুলো কবর থেকে উঠানো হয়েছে।

নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) পূর্নেন্দু দেব জানান, এ ঘটনায় ওই দিনই সিলেট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু সাফায়াৎ মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে থানার উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে বিকেলে কবর থেকে লাশগুলো উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন