শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৭ ১২:৪৩:২০ এএম

''ময়নামতি ইউনিয়ণকে ''বিভাগ'' করলে ''লেজটা ঠিকই আটকে যাবে...

খোলা কলাম | বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ | ০৮:৩৯:৩০ পিএম

একটি ইউনিয়ণ করতে ৮/১০টা গ্রাম থাকা লাগে, 6/৭ টা ইউনিয়ণ নিয়ে হয় ''উপজেলা'' 10/15টা উপজেলা নিয়ে গঠিত হয় জেলা, ৬/৭ টা জেলা নিয়ে গঠিত হওয়ার কথা #বিভাগ, আর সামান্য একটি #সিটি #কর্পোরেশণ করতেই তো অনেক ইউনিয়ণকে।

#ওয়ার্ডকাউন্সিল বানানো লাগছে বা বানাতে হয়, কারণ এটাই নিয়ম হিসাবে আমরা জেনে আসছি, সকল #চমক যেন সব এই বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই হচ্ছে বা আরো হবে, যেমন সংসদ বহাল রেখে সংসদ নির্বাচন হয়, একটি প্রশ্ন আমাকে মনে মনে খোঁচায় যে এমপি গন যেহেতু পদত্যাগ না করেই নির্বাচন করেন বেশীর ভাগ এমপি তো আবারো পাস করেন, তখন তাদেরকে নতুন করে শপথ করানো হয়, কিন্তু কেন, তারা কি শপথ ভঙ্গ করেছেন যে নতুন করে শপথ নিতে হবে, এটা সংবিধানের সংশোধনীর পরও আমার নিকট সাংগর্ষিক মনে হয়, আমার মতো লোকের মনে কোন কিছুর উদ্রেক হইলেই কি আর নাহলেই কি, ''আমরা সাধারন মানুষ আংগুর খাইলেও লোকে বলবে ''শুকনা বুট চাবায়'' আর উনারা দেখাইয়া বুট চাবাইলেও লোকে বলবে #পপকর্ন খাচ্ছে, এই পপকর্নই গরীবের বেলায় হয়ে যায় #ভুট্টাপোড়া''

#যাহউক মূল কথায় আসি, যেমন অনেক ইউনিয়ণ ও পৌরসভাকে বিলুপ্ত করা লাগছে সিটি কর্পোরেশণ গঠণ করার জন্য, আর একটি গ্রাম বা ইউনিয়ণকে কি করে বিভাগ বানাবেন, বানালে জেলা উপজেলা গুলোকে কি করে ইউনিয়ণের আনেডারে নিবেন, এই অবস্থায় আমার একটি গল্প মনে পরে গেল, #সত্যগল্প #পন্ডিত কালিদাস যখন ছাত্র, তখনকার ঘটনা, স্কুলে ক্লাশ চলছে, স্যার হঠাৎ করে ডাষ্টার মারলেন ছাত্র #কালিদাসকে এবং বললেন কোন দিকে খেয়াল, জানালার বাহিরে কি সাপ খেলা দেখাচ্ছে, উত্তরে #কালিদাস স্যারকে দেখালেন যে, জানালার পাশে একটি গোয়াল ঘর, বেড়ার ভাঙ্গা অংশ দিয়ে গরুর লেজটি বাহিরে এসে গেছে, স্যার বললেন এটা কোন দেখার বিষয় হলো, #কালিদাস বললেন কেন স্যার এটাতো আমার দেখা সবচাইতে তেলেসমাতি কারবার কেননা ''এত ছোট একটি ফাক দিয়ে এতবড় গরুটা ঢুকে গেল কিন্তু দেখেন ঈশ্বরের বিচার #লেজটা ঠিকই আটকে গেল''

@#ময়নামতি #ইউনিয়ণকে বিভাগ করার বিষয়টা #কালিদাস পন্ডিতের জানালা দিয়ে গরু দেখার ঘটনার মতোই হবে''
#নোয়াখালী এবং #কুমিল্লা প্রাচীন জেলা শহর, 1935 সনে এই অঞ্চল গুলো নিখিল ভারতের আওতাধীন এলাকা, তখন ঐতিহাসিক মঙ্গা, দূর্ভিক্ষ আর ইংরেজ ফিরিঙ্গিদের ( Divided and Role policy ) ''ভাগ করো আর শাসন করো'' ষড়যন্ত্রের পাতা ফাঁদে পড়ে ''হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা চলছিলো, তখনই #মহাত্মা #গান্ধি শান্তি ও অহিংসতার বাণী নিয়ে এই অঞ্চলে সফরে আসেন, ঢাকার নবাব স্যার সলীমুল্লাহ, নবাব হোচ্ছাম হায়দার সহ আরো অনেক হিন্দু মুসলিম নেতাদের সমন্বয়ে শান্তি মিছিল হয়, কথিত আছে কান্দিরপাড় মিছিল পৌছলে বর্তমান কুমিল্লার বিএনপি অফিসের পেছন থেকে অর্থাৎ রঞ্জিতদের বাড়ীর এলাকা থেকে পঁচা ডিম মেরে হিন্দুরা উত্তেজনা সৃষ্টির প্রয়াস করেছিলো, পড়ে গান্ধিজীর বদান্যতায় ঘটনাটি আর বাড়েনি, গান্ধিজী অভয় আশ্রম নামে বর্তমান যেটা টমসমব্রীজ যাওয়ার রাস্তা তার পূর্ব পাশে অবস্থিত এই আশ্রমে মহাত্মা গান্ধিজী একরাত বিশ্রাম নিয়েছিলেন তাই এটার নাম এখন #গান্ধি #আশ্রম

@#এরপরদিন বর্তমান কেটিসিসি যে এলাকা এখানে মহাত্মা গান্ধি বক্তব্য রাখেন, যে জন্য কুমিল্লা আজো গর্বিত''
@#নোয়াখালীও বিখ্যাত এই একই কারণে কেননা এরপর গান্ধিজী বক্তব্য দিতে চলে গেলেন নোয়াখালীর শান্তি সম্মেলনে সেখানে তিনি বলেছিলেন ''মুসলিম আর হিন্দু হলো আমার দু চোঁখের মতো, মানুষ একটি চোঁখ হারালেও দেখতে পায় কিন্তু আমি আমার দু চোঁখ দিয়েই দেখতে চাই, আর এভাবে মিলেমিশে বাঁচতে চাই''

@#তাই বলছি কুমিল্লা এবং নোয়াখালী কে আলাদা আলাদা বিভাগ করতে হবে, নাহলে #বিভাগই দরকার নেই, প্রসঙ্গটা ক্লোজ করাই হবে উচিত কর্ম''

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন