মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০১৭ ১১:২৩:১৯ এএম

লাশ উদ্ধারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১১ মামলা ছিল

জেলার খবর | ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া | শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০১৭ | ১১:৩৭:০৯ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় মিলেছে। পরিবারের দাবি, পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে হত্যা করেছে। তবে পুলিশ বলছে তারা এ হত্যাকাণ্ডের কিছুই জানে না।

এদিকে নিহত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, আখাউড়া থানায় অন্তত ১১টি মামলা আছে। মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাকে খুন করা হতে পারে।

এর আগে শুক্রবার সকালে কসবার সৈয়দাবাদ এলাকা থেকে অজ্ঞাত হিসেবে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার লাশের পাশে ৩৫ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়।

নিহত ব্যক্তি হলেন আখাউড়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আজমপুরের কৌড়াতলীর মো. মরহম আলীর ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু (৩২)।

শুক্রবার সকালে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে কসবার সৈয়দাবাদ এলাকা থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কানের কাছে আঘাতের চিহ্ন আছে জানিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে বলা হয় তার পরিচয় মেলেনি। পরে পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে তার লাশ শনাক্ত করলে পুলিশও পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি জানায়।

দেলোয়ার হোসেনের বাবা করে জানান, গত বুধবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে সেখানকার একটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। একপর্যায়ে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। পরে চট্টগ্রামেই অবস্থানরত তার এক ভায়রা ভাই আবার কৌশলে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

মরহম আলীর অভিযোগ মোবাইল ফোনে এ খবর পাওয়ার পর আখাউড়া থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। পরে শুক্রবার সকালে তার লাশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তার লাশ শনাক্ত করে।

কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, একটি ফসলি জমির পাশে উঁচু স্থানে লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন খবর দিলে লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তার পরিচয় জানা যায়নি। পরিবারের লোকজন এসে তাকে শনাক্ত করে। দেলোয়ারের বিরুদ্ধে নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, আখাউড়া থানায় অন্তত ১১টি মামলা রয়েছে। মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন