বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৭ ০৪:১৮:০৬ এএম

সিলেটের ‘আতিয়া মহলে’ র‌্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল

সিলেট সংবাদদাতা | জেলার খবর | সিলেট | সোমবার, ৩ এপ্রিল ২০১৭ | ০১:৫৩:৪২ পিএম

সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ীর জঙ্গি আস্তানা আতিয়া মহলে গেছেন র‌্যাবের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল।

সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় র‌্যাবের বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ দল বাড়িটির আশপাশ পরিদর্শন করেন।এ সময় বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয় আতিয়া মহলের আশপাশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ।

র‌্যাবের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, প্রথমে ডগ স্কোয়াড দিয়ে আতিয়া মহলের অভ্যন্তরে তল্লাশি করা হবে। এরপর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ টিম অভ্যন্তরে প্রবেশ করবেন। আতিয়া মহলের চারপাশে পুলিশ, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিসের ফোর্স ছাড়াও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা অবস্থান করছেন।

মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল জানান, র‌্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল আতিয়া মহলের বাইরে অবস্থান করছে। তারা কিছু পরই আতিয়া মহলে ঢুকবে।

গত ২৪ মার্চ ভোররাতে আতিয়া মহলের জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়ার পর থেকে পুরো বাড়ি ঘিরে রাখে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় বাড়িতে ২৬ পরিবারের শিশু, নারী ও পুরুষ আটকে পড়েন।

পরদিন সেনাবাহিনীর কমান্ডোরা অভিযানের শুরুতে আটকেপড়া ৭৮ জনকে উদ্ধারের পর ‘অপারেশন টোয়াইলাইট’ শুরু করে সেনাবাহিনী। টানা চার দিন অভিযান শেষে গত মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) এ ভবনের ভেতরেই চার জঙ্গির লাশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে দুই জনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশে হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী।

এর আগে গত ২৫ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় আতিয়া মহল থেকে প্রায় আড়াই শ গজ দূরে প্রচণ্ড শব্দে বিস্ফোরণ হয়। এর ৪০-৪৫ মিনিট পর আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। দ্বিতীয় বিস্ফোরণস্থলটি ছিল প্রথম বিস্ফোরণস্থল থেকে শ খানেক গজ দূরে। এই দুটি বিস্ফোরণে নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ছয়জন।

আহত হন র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদসহ অর্ধশতাধিক মানুষ। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ মার্চ রাতে আবুল কালাম আজাদ মারা যান।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন