সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭ ১২:৩৬:১১ পিএম

বিএনপির আয়োজনে কানাডায় স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা

প্রবাস | কানাডা থেকে | বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৭ | ০৪:৩৯:১৫ এএম

মহান  স্বাধীনতা  দিবস  উপলক্ষে  কানাডা  বিএনপি  আয়োজিত  আলোচনা  সভায় বক্তারা  বলেছেন  শহীদ  প্রেসিডেন্ট  জিয়াউর রহমান  বর্তমান  প্রধানমন্ত্রী শেখ  হাসিনা  কে  বিদেশ  থেকে

দেশে  এনে রাজনীতিতে  পুনর্বাসন করেন। শুধু  তাই নয়  তার বাবা শেখ মুজিবের  রেখে যাওয়া  সমুদয় সম্পত্তি ও  বুঝিয়ে দেন।  অথচ  সেই শেখ  হাসিনা এখন   জিয়া  পরিবার কে  রাজনীতি  থেকে উচ্ছেদ করে  দেশ  থেকে  বিতাড়িত করতে  তৎপর। বক্তারা  বলেন , শেখ  মুজিব  গাঁ  বাঁচিয়ে  পাকিস্তান  চলে  গেলেন। 

লীগের  অন্যরা  পালিয়ে  ভারতে  তখন  মেজর  জিয়া  স্বাধীনতার  ঘোষণা  দিয়ে  মুক্তির  সংগ্রামে  জাপিয়ে দেশ হানাদার  মুক্ত করেন। তার  অবদান দেশ ও জাতির ইতিহাসে  চিরসরণীয়  হয়ে  থাকবে। কানাডার  মন্ট্রিলে  একটি  রেস্তোরায় গত সোমবার  এক  আলোচনা সভায়   নেতৃবৃন্দ একথা বলেন। 

 বীর মুক্তিযোদ্ধা  ও কানাডা বিএনপির সাবেক সাধারণ  সম্পাদক  জিয়াউল হক জিয়ার  সভাপতিত্বে  আলোচনা  সভায়  প্রধান অতিথির বক্তব্য  রাখেন  কানাডা বিএনপির সাবেক   সভাপতি   ফয়সাল  আহমেদ  চৌধুরী। 

অন্যান্যের  মধ্যে  বক্তব্য  রাখেন  কানাডা বিএনপির কেন্দ্রীয়  নেতা   দেওয়ান এ বি এম রাজ্জাক  রাজু , আরমান মিয়া মাস্টার , মারিফুর  রহমান , ইঞ্জিনিয়ার  জুলফিকার হায়দার  মুরাদ ,  শাহজাহান  শামীম , মুহিম  আহমেদ, নাছিম  উদ্দিন ,হেলাল  উদ্দিন , জাহাঙ্গীর  আলম , কানাডা জাসাস সভাপতি  সিরাজুল ইসলাম মিজি , কামরুল ইসলাম রানা , আব্দুল হামিদ বুলবুল, প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে  এক   বর্নাঢ্য  সাংকৃতিক  অনুষ্ঠান  পরিবেশিত  হয়। প্রধান অতিথির  বক্তব্যে  জনাব  ফয়সাল  আহমেদ চৌধুরী  বলেন ,  শেখ  মুজিব  ৬ দফার  আন্দোলন করেছেন।  প্রথম দফা ছিল  পূর্ব পাকিস্তানের  স্বায়ত্ত শাসন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী  হয়ে  শেখ  মুজিব 

অখণ্ড  পাকিস্তানের  প্রধানমন্ত্রী  হতে  প্রেসিডেন্ট  ইয়াহিয়া  খানের  সঙ্গে  ২৫ মার্চ পর্যন্ত আলোচনা  করলেন। ইয়াহিয়া  খান ঢাকা  ত্যাগের আগে সাংবাদিকদের  বলেছিলেন  শেখ  মুজিব  পাকিস্তানের  প্রধানমন্ত্রী  হচ্ছেন।  এসব জীবন্ত  ইতিহাস। শেখ  মুজিব  কখনো  পাকিস্তান  ভাঙতে  চাননি।  তাই  স্বাধীনতা  ঘোষণা দেবেন কেন ?

শেখ  মুজিব  স্বাধীনতা  চাননি ও  স্বাধীনতার  ঘোষণা ও দেননি  ইতিহাসের  এই  নির্মম  সত্য  মানলেই  আওয়ামী লীগের   আর কোনো  রাজনীতি  থাকে না। তাই  তারা  জিয়া কে  স্বাধীনতার  ঘোষক  মানতে 

নারাজ।  কিন্তু  ইতিহাস  বড়  নির্মম। সত্য  বড়  কঠিন। ইতিহাস বিকৃত  করে , পরিবর্তন করে , জাতি কে বিভ্ৰান্ত  করা যায় না।  কেউ  পারে নি।  আওয়ামী  লীগ ও পারবেনা।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন