শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১১:৩৬:৩৭ এএম

জাপার সাংসদ ও সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলুর বিয়ে আজ

রাজনীতি | শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০১৭ | ১২:২৪:৪৩ পিএম

জাতীয় পার্টির (জাপা) সাংসদ ও সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর বিয়ে আজ। জানা গেছে, বারিধারায় এরশাদের বাড়ি প্রেসিডেন্ট পার্কে আজ আকদ সম্পন্ন হওয়ার কথা। এরপর সন্ধ্যায় গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় রয়েছে প্রীতিভোজের আয়োজন।

জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর মামা শ্বশুর হতে যাচ্ছেন দলটির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ। এরশাদের ভাগনি মেহেজেবুননেছা রহমান টুম্পার সঙ্গেই আজ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন বাবলু। এরশাদের রাজনৈতিক ও প্রেস সচিব সুনীল শুভরায় বলেন, দুই পক্ষের আলোচনায় পারিবারিক ভাবেই বিয়েটা হচ্ছে।

এরশাদের বোন জাতীয় পার্টির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মেরিনা রহমানের মেয়ে মেহেজেবুন্নেসা রহমান সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটিতে বিবিএর সহকারী অধ্যাপক। আর বাবলু দশম জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

২০০৫ সালে ক্যান্সারে স্ত্রী মারা যায় জিয়াউদ্দিন বাবলুর। এরপর একমাত্র ছেলে আশিকের মুখ চেয়ে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতে রাজি হননি। কিন্তু এখন তার ছেলে ও ছেলের বউই চাচ্ছেন, তাদের বাবা আবার বিয়ে করুক।

এরশাদের একান্ত আগ্রহ ও উদ্যোগেই জিয়াউদ্দিন বাবলুর সাথে টুম্পার বিয়ে ঠিক হয়। বিয়েতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের। রীতিমতো বিয়ের এই অনুষ্ঠান একটি রাজনৈতিক মিলন মেলায় পরিণত হতে যাচ্ছে। বাবলু এবং শ্বশুরকুল উভয়েই রাজনৈতিক পরিবার হওয়ায় প্রধান প্রধান দলের শীর্ষ নেতাদের দাওয়াত দেয়া হয়েছে। বিয়ে পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে সমাজের বিশিষ্টজনদের ইতোমধ্যেই দাওয়াত দেয়া হয়েছে। ডাকসুর সাবেক জিএস, সাবেক মন্ত্রী জিয়াউদ্দিন বাবলু জানান, প্রধানমন্ত্রীকে তার পক্ষ থেকে দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু সত্তরের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ও প্রতাপশালী ছাত্রনেতা ছিলেন তিনি। ছিলেন ডাকসুর জিএস। এরশাদ সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা ছাড়াও পরবর্তী সময়ে এই দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং পর্যটনমন্ত্রীও ছিলেন। চট্টগ্রামের রাউজানের কদলপুরে তার গ্রামের বাড়ি হলেও জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে তিনি ছিলেন বেশি সম্পৃক্ত।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জাপা নেতা জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে লাঙ্গল প্রতীকে ৭৯ হাজার ৭৭৯ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্বী ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাডভোকেট আবু হানিফ হাতুড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে ৩ হাজার ৫৯৯ ভোট পান।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন