বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৭ ১০:৫৭:৫০ এএম

ঘরোয়া উপায়ে জিভ পরিষ্কার রাখুন

স্বাস্থ্য | শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০১৭ | ০৭:১১:৫৮ পিএম

জিভ যদি কারো অপরিক্ষার থাকে তাহলে নিজেকে কেমন লাগে। আর জিভ হলো মুখের একটা গুরত্বপূর্ণ অংশ। ওরাল হাইজিন বা মুখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে জিভ পরিষ্কার মাস্ট! অপরিষ্কার জিভ জীবাণুর আঁতুড়ঘর। মুখে দুর্গন্ধ, হ্যালিওসিস, জিঞ্জিভাইটিস, পেটের সমস্যা, জিভে কালচেভাব, সাদাভাব দেখা দিতে পারে। তার উপর কথা বলার সময় যদি অপরিষ্কার জিভ বেরিয়ে আসে, বিশ্রী হয় ব্যাপারটা! এদিকে অনেকেই আছেন জিভ পরিষ্কার করতে চান না। তাতে নাকি বমি বমি পায়। তাঁদেরকে বলি, সঠিক নিয়মে জিভ পরিষ্কার করলে কখনও বমিভাব হয় না, বরং অতিসহজেই পরিষ্কার হয় জিভ। এরজন্য টাং ক্লিনারের কোনও প্রয়োজনও হয় না। চিকিৎসকরা বলেন, টাং ক্লিনার দিয়ে ঘষে ঘষে জিভ পরিষ্কার করলে স্বাদকোরক বা টেস্ট বাড নষ্ট হতে পারে। জিভে ক্যান্সারও হতে পারে। ঘরোয়া উপায়ে জিভ পরিষ্কার করে নিতে পারেন। আসুন জেনে নেই।

নুন
জিভে জীবাণু সংক্রমণ রুখতে দারুণভাবে কাজ করে নুন। মরাকোশ ও জমে থাকা খাবারের কণা নির্মূল করে জিভ থেকে। এর অ্যান্টিসেপটিক গুণ জীবাণুদের খতম করে।
নুন দিয়ে কীভাবে পরিষ্কার করবেন জিভ?

জিভে সামান্য নুন ছিটিয়ে টুথব্রাশ দিয়ে টানা এক মিনিট হালকা করে ম্যাসাজ করুন। গরম জল দিয়ে ধুয়ে নিন। দিনে অন্তত দু’বার এই পদ্ধতিতে জিভ পরিষ্কার করলে এক সপ্তাহের মধ্যে ফল দেখতে পাবেন।

না হলে আরও একটা উপায় আছে। ঈষদুষ্ণ জলে এক চামচ নুন দিন। ভালো করে কুলকুচি করে ফেলে দিন সেই জল। দিনে অন্তত ৪-৫বার এটা করলে হাতেনাতে ফল পাবেন।

অ্যালোভেরা জুস
শরীরের ফোলাভাব ও ক্ষত সারাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে অ্যালোভেরা। অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকার কারণে অ্যালোভেরা জীবাণুদের বিনাশ ঘটাতে পারে। পাশাপাশি জিভ পরিষ্কারও করতে পারে। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খান। দারুণ ফল পাবেন।

অ্যালোভেরা জুস বানানোর পদ্ধতি :
এক চামচ অ্যালোভেরা জুস মুখের ভিতর দিন। কুলকুচি করে ফেলে দিন।
এবার এক চামচ অ্যালোভেরা জুস খান।দু’সপ্তাহ এটা করুন, জিভ ঝকঝকে পরিষ্কার হবে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন