রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:৫৩:২৫ পিএম

মুড়ি খাওয়া স্বাস্থ্যর জন্য ভাল

স্বাস্থ্য | মঙ্গলবার, ৯ মে ২০১৭ | ০২:১৪:৫৭ পিএম

বিকেলে বিস্কুট ছাড়া চা পান করাটা যেন অসম্পূর্ণ মনে হয়। অতিথি আপ্যায়নেও চায়ের সঙ্গে টা হিসেবে বিস্কুটাই দিয়ে থাকি আমরা। কিন্তু প্রতিদিন বিস্কুট খেলে মোটা হওয়া থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস পর্যন্ত হতে পারে সেটাই বা আমরা কতজন জানি।

বিস্কুটে ট্রান্সফ্যাট বেশি থাকে। পরিণতিতে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়ে। বাড়ে ওজনও। এর জের ধরে ডায়াবেটিস এবং হার্টের অসুখের আশঙ্কাও বাড়ে। বিস্কুটে মিষ্টির পরিমাণ প্রচুর। রোজ চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খেলে স্থূলতা নিশ্চিত। হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় ব্লাড সুগার লেভেল। অন্যদিকে নিয়মিত বিস্কুট খেলে শিশুদের অ্যালার্জি হতে পারে।

চিনির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে দাঁতের বারোটা বাজার আশঙ্কা। এসব থেকে বাঁচতে বিস্কুটের পরিবর্তে মুড়ি খেতে পারেন। কম ক্যালরির পেট ভরানোর খাবার মানেই মুড়ি।

যাদের বারবার খিদে পায় অথচ দিনের বেশির ভাগ সময় অফিসে বা বাড়িতে বসে কাজ করার জন্য শরীরে ক্যালোরির চাহিদা কম। তাদের জন্য লাঞ্চ ও ডিনারের মাঝখানে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে মুড়ি হতে পারে আদর্শ খাবার। ১৪ গ্রাম মুড়িতে রয়েছে ৫৬ ক্যালোরি। কার্বোহাইড্রেট ১২ দশমিক ৬ গ্রাম, প্রোটিন এক গ্রাম, ফ্যাট মাত্র শূন্য দশমিক এক গ্রাম, ফাইবার শূন্য দশমিক দুই গ্রাম, পটাশিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, আয়রন চার দশমিক ৪৪ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম চার মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৪ মিলিগ্রাম, থিয়ামাইন শূন্য দশমিক ৩৬ মিলিগ্রাম এবং নিয়াসিন চার দশমিক ৯৪ মিলিগ্রাম। ওজন কমাতে সাহায্য করে মুড়ি।

সোডিয়ামের পরিমাণ খুব কম থাকার কারণে মুড়ি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। অনেকটা পানি টেনে নেয় বলে পেটভরা থাকে অনেকক্ষণ। পেটের গোলমালে শুকনো মুড়ি বা ভেজা মুড়ি খেলে উপকার পাওয়া যায়। ভিটামিন বি ও মিনারেল প্রচুর পরিমাণে থাকার কারণে মুড়ি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন