সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭ ০৩:৪৯:১২ এএম

স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর স্বেচ্ছামৃত্যু

জেলার খবর | নারায়ণগঞ্জ | মঙ্গলবার, ৯ মে ২০১৭ | ০৫:১২:০৫ পিএম

জেলার সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর স্বেচ্ছামৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নিহত স্ত্রীর নাম মিতু আক্তার। স্বামী মাদকাসক্ত পরিবহন শ্রমিক মোশারফ হোসেন।

মঙ্গলবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী জানিয়েছে, জালকুড়ি এলাকার আহসান উল্লাহ সরদারের ছেলে মোশারফ হোসেন পরিবহন শ্রমিক। গত ১৬ বছর আগে বরিশাল জেলার চরমোনাই এলাকার কাসেম সরদারের মেয়ে মিতু আক্তারকে বিয়ে করেন তিনি। মোশারফ-মিতু দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। মোশারফ দীর্ঘ দিন ধরে ইয়াবা সেবন করতো। তার মাদক সেবন নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। স্ত্রী স্বামীকে মাদক সেবীদের সঙ্গে মিশতে বারণ করে। এতে মোশারফ ক্ষিপ্ত হয়। আজ মোশারফ-মিতু দম্পতির বড় ছেলে রায়হান ফজরের নামাজ পড়তে যায়।

নামাজ শেষ করে আসার পর সে দেখে তার বাবা মোশারফের হাতে বটি। কিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে তার বাবা লাথি দিয়ে বের করে দিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় ছোট সন্তান মুন্নীর সামনেই মিতুকে কুপিয়ে হত্যা করে মোশারফ।পরে মুন্নীকে বাথরুমের ভেনটিলেটর দিয়ে বাইরে ছুড়ে ফেলে দিয়ে মোশারফ ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়।

মোশারফ হোসেনের বড় ভাই নূর সালাম জানান, অনেক চেষ্টা করেও দরজা ভাঙা যায়নি। এক পর্যায়ে মোশারফ ঘরের দরজা ও জানালায় বিদ্যুতের তার জড়িয়ে দেয়। সে মাদকাসক্ত ছিল। প্রায়ই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ হতো।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল হোসেন জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মঈনুল হকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন