বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯ ০৭:৩৪:০১ এএম

নিখুঁত ত্বক ধরে রাখতে ৬ রকমের তেলের ব্যবহার!

বিউটি টিপস | ঢাকা | বুধবার, ১০ মে ২০১৭ | ১০:৩১:৪৬ এএম

শুষ্ক রুক্ষ আবহাওয়া ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
তাছাড়া দূষিত পরিবেশ ত্বকের ওপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলে। ত্বক ফেটে যাওয়া,
রুক্ষ, কালো ছোপ, শুষ্কতা এই সবই ত্বকের সমস্যা। এছাড়াও ত্বকে বয়স জনিত
দাগ, রিঙ্কেলও অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক।

শুধুমাত্র মুখেই নয়, এই ধরণের ত্বকের সমস্যা দেখা দেয় পুরো দেহে। কিন্তু
খুব সহজেই এইসব ধরণের সমস্যা থেকে আমরা দূরে থাকতে পারি। কীভাবে? কিছু তেলের ব্যবহারে। যা কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া আপনাকে দিতে
পারবে নিখুঁত ত্বক আজীবনের জন্য!

তিলের তেল :

হাড় মজবুত করার জন্য তিলের তেলের মালিশের গুণ প্রায় সকলেরই জানা। কিন্তু
তিলের তেল ত্বকের জন্যও অসাধারণ একটি উপাদান। তিলের তেলের রয়েছে ত্বক ফাটা
প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। এই তেল নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক ভেতর থেকে নিজের
ইলাস্টিসিটি ফেরত পায়। এতে করে ত্বক ফাটার সম্ভাবনা অনেক কমে যায় রুক্ষ
আবহাওয়াতেও।

সূর্যমুখী তেল :


সূর্যমুখী বীজ অনেকেই খেয়ে থাকেন এর অসাধারণ স্বাদের জন্য। কিন্তু এই বীজ
থেকে যে তেল হয় তা আমাদের ত্বকের কতোটা কার্যকরী সেটা অনেকেই জানেন না।
সূর্যমুখী তেল খুব ভালো একটি প্রাকৃতিক ময়সচারাইজার। তা ত্বক ফেটে যাওয়ার
হাত থেকে রক্ষা করে। ত্বককে করে মসৃণ ও সুন্দর।

অলিভ অয়েল :


অলিভ অয়েল রান্নায় ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ভালো। এর পাশাপাশি
অলিভ অয়েল ত্বকের মহাঔষধ হিসেবেও কাজ করে। অলিভ অয়েল সব চাইতে ভালো
প্রাকৃতিক ময়সচারাইজার। এছাড়াও অলিভ অয়েলের রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল
উপাদান। যা ত্বকে যে কোন ধরণের ইনফেকশন দ্রুত ঠিক করে। নিয়মিত ব্যবহারে
ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়ে ত্বকে আসে দীপ্তি।

নারকেল তেল :

নারকেল তেল আমরা ব্যবহার করে থাকি চুলের যত্নে। কিন্তু এই নারকেল তেলের
ব্যবহার ত্বকের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে এর জুড়ি
নেই। এছাড়াও হাত পায়ের ত্বককে মসৃণ ও কোমল করতে ব্যবহার করা যায় নারকেল
তেল। ছেলেদের শেভিং ক্রিমের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায় নারকেল তেল।


গোলাপের তেল :

শুনতে নতুন শোনালেও ত্বকের যত্নে গোলাপের তেল ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক আগে
থেকেই। তৈলাক্ত ত্বকে অন্যান্য সকল ধরণের তেল ব্যবহার করা না গেলেও গোলাপের
তেল ব্যবহার করা যায় অনায়েসে। গোলাপের তেল ব্যবহার করা যায় প্রাকৃতিক
টোনার হিসেবে। গোলাপের তেল ত্বক ঝুলে পরার হাত থেকে রক্ষা করে। এবং এই তেল
ব্রণের বিরুদ্ধেও কাজ করে।

কাঠ বাদাম তেল (আলমন্ড অয়েল) :

কাঠ বাদাম তেল শুধুমাত্র চুলকে ঝলমলে উজ্জ্বল করতেই নয় ব্যবহার হয় ত্বকের
সমস্যা সমাধানে। ত্বকের বয়স জনিত চাপ দূর করতে কাঠ বাদামের তেল অনেক বেশি
কার্যকরী। কাঠ বাদামের তেলের সাথে খানিকটা মধু এবং লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি
করা ফেইস প্যাক মুখের বয়সের ছাপ এবং রিঙ্কেল দূর করে। ত্বকের তারুণ্য ধরে
রাখার পাশাপাশি ত্বককে কোমল উজ্জ্বল এবং নরম করে কাঠ বাদামের তেল।



খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন