শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ ০১:৪১:৩৭ এএম

পুলিশের হাত থেকে পালাতে গিয়ে শিবির কর্মীর মৃত্যু

জেলার খবর | নোয়াখালী | শনিবার, ১৭ জুন ২০১৭ | ০৭:২৬:০৭ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার রাতে আটকের পর পুলিশের হাত থেকে পালাতে গিয়ে স্ট্রোকে মিজানুর রহমান হেলাল (২৫) নামে এক শিবির কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত পৌনে ১০টায় বসুরহাট পৌরসভার হাসপাতাল রোডে। একই সময় পুলিশ হেলালের সঙ্গে থাকা অপর দুই শিবির কর্মীকে আটক করে। তারা হলেন ফখরুল ইসলাম রাজু ও রিয়াদ।

নিহত হেলাল বসুরহাট পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের আপিল উদ্দিন ব্যাপারী বাড়ির বেলায়েত হোসেন মুন্সির ছেলে। গ্রেফতারকৃত শিবির কর্মী ফখরুল ইসলাম রাজু একই বাড়ির আবুল কালামের ছেলে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, হেলাল, ফখরুল ইসলাম রাজু ও রিয়াদ বসুরহাট উত্তর বাজার গ্র্যান্ড হোটেলে শুক্রবার রাতে চা খেতে যায়।

এ সময় পুলিশের এসআই সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে তাদের ৩ জনকে আটক করা হয়। রাজু ও রিয়াদকে পুলিশের গাড়িতে ওঠানোর পর হেলালকে তার নিজ মোটর সাইকেলে একজন আনসারসহ থানায় পাঠানো হয়।

কিন্তু হেলাল মোটর সাইকেল নিয়ে থানায় প্রবেশ না করে তার দোকানের সামনে গিয়ে মোটর সাইকেল রেখে দোকানের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে বাড়িতে চলে যায়।

বাড়িতে গিয়ে ভয়ে স্ট্রোক করলে বাড়ির লোকজন হেলালকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর রাত প্রায় ১১টায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হেলালকে মৃত বলে ঘোষণা দেন।

অপরদিকে আটককৃত রিয়াদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাকে পুলিশ শনিবার সকালে ছেড়ে দেয়। শিবির কর্মী ফখরুল ইসলাম রাজুকে পুলিশ আহতের মামলায় সন্ধিঘ্ন আসামি হিসেবে শনিবার সকালে নোয়াখালী জেলা কারাগারে প্রেরণ করে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোঃ ফজলে রাব্বী জানান, বসুরহাট গ্র্যান্ড হোটেলে শিবিরের গোপন বৈঠক চলার খবর পেয়ে পুলিশ হেলাল, রাজু ও রিয়াদ নামে ৩ জনকে আটক করে।

রিয়াদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। রাজুর বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকলেও পুলিশ আহতের একটি মামলায় সন্দেহজনক আসামি হিসেবে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে। অপরজন হেলাল পুলিশের গ্রেফতার এড়িয়ে পালানোর সময় ষ্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন