মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৫০:৫৮ এএম

বাসাইল থানায় ৪ লাখে পরকীয়ার মিমাংশা

জেলার খবর | টাঙ্গাইল | শুক্রবার, ৩০ জুন ২০১৭ | ০৯:৪৮:০২ পিএম

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় থানায় বসে ৪ লাখ টাকায় পরকীয়ার মিমাংশা হয়েছে। এ ঘটনা বাসাইলে এখন টপ অব দি টাউন। তবে, মেয়ে পক্ষ হাতে পেয়েছে দেড় লাখ টাকা। বাকী টাকা মধ্যস্থকারীদের পকেটে গেছে বলে জানা গেছে। এর আগে বুধবার রাতে নাইকানি বাড়ি থেকে ওই যুগলকে আপত্তীকর অবস্থায় আটক করে থানায় সোপর্দ করে স্থানীয়রা।

আটককৃতরা হলো- বাসাইল উপজেলার কলিয়া গ্রামের নছিম উদ্দিনের ছেলে কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের ও একই গ্রামের দুবাই প্রবাসী জুলহাসের স্ত্রী লাভলী আক্তার।

স্থানীয়রা জানায়, ১০ বছর পূর্বে উপজেলার কলিয়া হাটিপাড়ার দুবাই প্রবাসী জুলহাসের সাথে নাইকানি বাড়ি এলাকার লাভলী আক্তার সাথে বিয়ে হয়। বিবাহিত জীবনে তাদের একটি কন্যা সন্তানও হয়।

এক পর্যায়ে একই এলাকার বাসাইল বাজারের মাখন সুপার মার্কেটের (কোটিপতির মার্কেট) কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুল কাদেরের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন লাভলী। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে জুলহাস ঘৃণা ও ক্ষোভে আবার দুবাই চলে যায়।

স্বামী বিদেশ যাওয়ায় ওই গৃহবধু তার কন্যা সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ী নাইকানি বাড়ি বসবাস করতে থাকে। এ সুযোগে আব্দুল কাদের গত ৭ বছর যাবৎ বিভিন্ন সময়ে নানা ভাবে লাভলীকে ভোগ করে আসছিল। এক পর্যায়ে বুধবার রাতে ওই যুগলকে বাড়ির পাশে একটি নির্জন ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে স্থানীয়রা।

পরে, সারারাত দফায় দফায় দরবার করেও স্থানীয়রা কোন সিদ্ধান্তে পৌছাতে ব্যর্থ হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার কয়েক দফায় পুলিশ ও স্থানীয়রা থানায় বৈঠক শেষে ছেলে পক্ষের নিকট হতে ৪ লাখ টাকা আদায় করে।

তবে, এ টাকার বড় অংশই মধ্যস্থকারীদের পকেটে গেছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় মাতব্বরা জানান, অভিযুক্ত আব্দুল কাদের পূর্বে নারী গঠিত অনেক অপকর্ম করেছেন। টাকার বিনিময়ে পার পাওয়ায় তিনি আবারো যেকোন ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পরতে পারে বলে শঙ্কা তাদের।

এ ব্যাপারে বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তেমন কোন বড় কিছু না। ঘটনাটি স্থানীয় লোকজন থানায় বসে মিমাংসা করেছেন বলেও জানান তিনি।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন