রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ০২:৫৪:৪০ পিএম

কুড়িগ্রামে ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

জেলার খবর | কুড়িগ্রাম | শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০১৭ | ১১:১৫:৫২ এএম

কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কুড়িগ্রামে অর্ধশতাধিক গ্রামের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

চিলমারী উপজেলার নয়ারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফা জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নয়ারহাট ইউনিয়নের বজড়া বিয়ারখাতা, খেরুয়ার চর, খেদাইমারী, ফেসকার চর, নাইয়ের চর ও দুইশোবিঘাসহ ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

চিলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গওছল হক মণ্ডল জানান, চিলমারী ইউনিয়নের মানুষমারার চর, আমতলার চর, কড়াই বরিশালসহ ১০ গ্রাম ও সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের তিনহাজারীর চর, ভগবতীর চর, খেয়ার আলগার চর, চর যাত্রাপুর, চরপারবতীপুরসহ ১২ গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

চিলমারী উপজেলার অষ্টমীর ইউনিয়নের ডাটিয়ার চরের বাসিন্দা শাহাজাহান আলী জানান, অষ্টমীরচর ইউনিয়নের মুদাফত কালীকাপুর, ডাটিয়ারচর, নটারকান্দি ও দিঘলকান্দিসহ ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানি যেভাবে বাড়ছে তাতে মনে হয় বউ বাচ্চা নিয়ে আর বাড়িতে থাকা যাবে না।

এদিকে রৌমারী উপজেলার সাহেবের আলগা বিজিবির ক্যাম্প সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের তীর রক্ষা প্রকল্পের ৯০ মিটার বাধ ধসে গেছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৩৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া নুন খাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৩২ সেন্টিমিটার, ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন