মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭ ০৪:১৫:০৮ এএম

নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার: নেই জরায়ু, লিভার ও কিডনি!

জেলার খবর | শরীয়তপুর | রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭ | ০৬:৩৪:২৪ পিএম

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের স্কুলছাত্রী লিজা আক্তার (১০) নিখোঁজ হওয়ার আট দিন পর শনিবার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিন্তু নিহত লিজার শরীরে কিডনি, লিভার, জরায়ু, ফুসফুসসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক।

মরদেহের ময়নাতদন্তকারী শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক এহশানুল ইসলাম জানান, মরদেহটি প্রায় এক সপ্তাহ আগের। তার শরীরের বেশিরভাগ অংশই পচে গেছে। রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য কিডনি, লিভার সংরক্ষণ করতে গিয়ে মেয়েটির শরীরে অঙ্গগুলো পাওয়া যায়নি। হাতের কবজিও কাটা ছিল।

তিনি জানান, মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল কি না, তা পরীক্ষা করার জন্য আলামত সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায় তার জরায়ুও নেই। তাই লিজার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়াটা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখীপুরের ছৈয়ালকান্দি গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে শনিবার সকালে লিজার লাশ উদ্ধার করা হয়। সে উপজেলার সরদারকান্দি গ্রামের লেহাজ উদ্দিন শেখের মেয়ে। ১ নম্বর সখীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। শিশুটি ১৫ জুলাই দুপুরের পর নিখোঁজ হয়।

লিজার বাবা লেহাজ উদ্দিন বলেন, ১৫ জুলাই সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার পরও মেয়ে বাড়িতে না ফেরায় তারা খোঁজ করা শুরু করেন। তিনি আরও বলেন, ‘আট দিন পর মেয়ের খবর পেলাম, তা-ও লাশের। আমার মেয়েকে কে হত্যা করল? কেন হত্যা করল? আমার তো কোনো শত্রু নেই। মেয়ের লাশের বুক থেকে পেট পর্যন্ত ফাড়া ছিল।’

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, স্কুলছাত্রীটি নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ১৬ জুলাই জিডি করেন তার বাবা। এরপর থেকেই তাকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করেছে পুলিশ। উদ্ধার লাশের চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে। ওসি আরও বলেন, ‘শিশুটির শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অঙ্গ পাওয়া যায়নি, এমন খবর আমি শুনেছি। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।’

সূত্র: প্রথম আলো

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন