বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৮:৩৮:০২ পিএম

পিরোজপুরে ফিরোজ হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি ও ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

জেলার খবর | পিরোজপুর | সোমবার, ৩১ জুলাই ২০১৭ | ০৬:৩৫:৩০ পিএম

পিরোজপুর সদর উপজেলার কালিকাঠী গ্রামের ফিরোজ হত্যা মামলায় ৩ জনকে ফাঁসি ও ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। আজ সোমবার দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম জিল্লুর রহমান এ আদেশ দেন।

আদেশে আসামী মোঃ সাহিনুর রহমান শানু মোল্লা, রেজাউল খা ও মিজান বেপারী ফাঁসির আদেশ ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং আসামী রেক্সনা বেগম, নিজাম আকন, সুমন সেখ, ওমর ফারুক মিঠু, মামুন মাতুব্বর, লিমন তালুকদার ও মোঃ রাসেল কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড সাথে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ প্রদান করেন বিচারক। আসামীদের সকলের বাড়ি পিরোজপুর সদর উপজেলার কালিকাঠী এলাকায়।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী ও পিপি এ্যাডভোকেট খান মোঃ আলাউদ্দিন জানান, ২০১২ইং সালের জানুয়ারী মাসে সদর উপজেলার কালিকাঠী গ্রামের ফিরোজ মাঝি (২২) এর বোন রিমু আক্তারের সাথে সদর উপজেলার ধুপপাশা এলাকায় বিয়ে হয়। এর কয়েকদিন পর থেকে কালিকাঠী এলাকা আসামীরা ফিরোজ ও তার মা নাসিমা বেগমকে পুনরায় রিমিকে তার স্বামীর কাছ থেকে নিয়ে এসে রেজাউলের সাথে বিবাহের কথা বলে। কিন্তু নাসিমা বেগম ও ফিরোজ মাঝি বিষয়টি না মেনে নিলে তাদের সাথে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার জের ধরেই ২০১২ইং সালের ৪ এপ্রিল ফিরোজ মাঝি শিকদার মল্লিক এলাকা থেকে একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পথে আসামীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় ২০১২ইং সালের ৫ এপ্রিল ফিরোজ মাঝির মা নাসিমা বেগম বাদী ১০ জনকে আনাসী করে পিরোজপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করে। পরে ২০১২ইং সালের ১৪ জুলাই পিরোজপুর সদর থানায় এস আই বাদল কৃষ্ণ দাস এ মামলার ১০ জনকে আসামী করেই আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে।

পিপি খান মোঃ আলাউদ্দিন আরো জানান, এ মামলায় বাদী, তদন্তকারী কর্মকর্তা, ডাক্তার সহ মোট ১৩ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। এ রায় ঘোষণার সময় আদালতে আসামীদের মধ্যে মোট ৮ জন উপস্থিত ছিলেন এবং ফাঁসি দন্ড প্রাপ্ত আসামী শানু মোল্লা ও রেজাউল খা পলাতক ছিল।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন