বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭ ০৪:৫৯:৫০ এএম

ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই চলছে গরু জবাই!

জেলার খবর | বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭ | ০৬:৫৯:২৭ পিএম

নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলা সদরসহ অন্যান্য স্থানে ডাক্তারি ফিটনেস সনদ ছাড়াই পুরোদমে চলছে রোগাক্রান্ত গরু জবাইর হিড়িক। এতে ক্রেতারা দারুনভাবে প্রতারিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়,উপজেলার সদর,পলাশ বাজার,পিডিবির বাজার,ঘোড়াশাল বাজার,ঘোড়াশাল সাদ্দাম বাজার,হাসান স্মৃতি মার্কেট,ডাঙ্গা,পূবালী ফুলেশ্বরী বাজার,চরসিন্দুর,তালতলী ,জালকাটি,পারুলীয়া সাধুরবাজার,কালীর হাট,চরনগরদী বাজারসহ উপজেলার সবকটি বাজারে প্রতিদিন কসাইরা গরু ছাগল জবাই করে মাংস বিক্রী করে।

জনসাধারণের অভিযোগ রয়েছে অধিকাংশ কসাইদাররা অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত গরু লোক চক্ষুর অন্তরালে রাতের অন্ধকারে জবাই করে সকালে বস্তাভর্তি মাংস বাজারে নিয়ে ফ্রেশ গরুর মাংস বলে উচ্চমূল্যে বিক্রী করে আর্থিক ফায়দা লুটে নিচ্ছে। পশু জবাইয়ের আগে প্রত্যেকটি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার দায়িত্ব উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস কর্তৃক দেখবাল করার কথা থাকলেও বেশীরভাগ ক্ষেত্রে তা করা হয় না। পলাশের কসাইরা প্রাণী সম্পদ অফিসের সেচ্ছাসেবিদের দিয়ে দু’একটি গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে জবাই করে থাকে। সুযোগ বুঝে তারা আরো অনেক বেশি গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করিয়ে সেগুলো জবাই দিয়ে ফায়দা লুটতে তৎপর রয়েছে। বিশেষ করে রোগাক্রান্ত গরু কম দামে কিনে বেশী দামে মাংস বিক্রীর প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় কসাইদাররা রাতের অন্ধকারে যত্রতত্র গরু জবাই দিচ্ছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি জানান,ত্রই বিষয়ে আমার তেমন জানা নেই । তবে অবশ্যই উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস কর্তৃক ডাক্তারি পরীক্ষা ব্যতীত কোন গরু জবাই করা যাবে না।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, মোটফোনে, পলাশ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো:মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,আমি এখানে নতুন ত্রসেছি, আমার তেমন জানা নেই। আপনি অফিসে আসিয়েন পরে কথা বলব বলে ফোন কেটে দেন। তারপর একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন