মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮ ০৭:১৮:৫৯ পিএম

প্রেমিকার লাশ সাত টুকরো করে পালানোর সময় ঘাতক প্রেমিক গ্রেফতার

জেলার খবর | বরগুনা | বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭ | ০২:২৮:৩০ পিএম

বরগুনার আমতলীতে প্রেমিকাকে হত্যা করে লাশ সাত টুকরো করে পালানোর সময় ঘাতক প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে আমতলী পৌরসভার হাসপাতাল সড়কের এ্যাডভোকেট মাইনুল আহসান বিপ্লব তালুকদারের বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মালা আক্তার (১৭) বরগুনা সদর উপজেলার পশ্চিম গুদিঘাটা গ্রামের আবদুল মান্নান খানের মেয়ে। ঘাতক আলমগীর হোসেন পলাশ (৪৫) পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসোন্দা গ্রামের আবদুল লতিফ খানের ছেলে। সম্পর্কে মালা পলাশের মামাতো শ্যালিকা হয় বলে জানাগেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, সপ্তম শ্রেনীতে লেখাপড়া অবস্থায় পলাশের সাথে মালার সম্পর্ক হয়। মালা কলাপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের একাদ্বশ শ্রেনীর ছাত্রী। গত রবিবার সন্ধ্যায় ঘাতক পলাশ মালাকে নিয়ে তার (পলাশ) নিকট আত্মীয় আমতলীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের আইনজীবী মাইনুল হাসান বিপ্লবের বাসায় বেড়াতে যায়। তিন দিন ধরে পলাশ ও মালা ওই বাড়ীতে অবস্থান করে। মঙ্গলবার মালা পলাশকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু পলাশ এতে রাজি হয়নি। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া ঝাটি হয়।

মঙ্গলবার বিকেলে আইনজীবী মইনুল ও তার স্ত্রী বাসার বাইরে গেলে এর কিছুক্ষণ পর পলাশ তার জামাতা বিপ্লবকে ফোন করে মালাকে হত্যা করার কথা বলে তিনি পালিয়ে যাচ্ছেন বলেন জানান। এ কথা শুনে আইনজীবী বিপ্লব মালার মরদেহ লুকাতে পলাশকে সহায়তা করবেন বলে তাকে বাসায় অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর এ্যাডভোকেট বিপ্লব বাসায় এসে কৌশলে পলাশকে ঘরে তালাবদ্ধ করে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে পলাশকে গ্রেফতার করে। ঘাতক পলাশের তথ্যমতে পুলিশ ওই বাড়ির টয়লেটের ভিতর থেকে দুটি ড্রামে ভরা খন্ডিত লাশ উদ্ধার করে।

বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার বিজয় বসাক বলেন, ঘাতক পলাশকে গ্রেফতার করে খন্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক ঘটনার সকল সত্যতা স্বীকার করেছে। পলাশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন