বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯ ১২:১৮:৪৪ এএম

কোটচাঁদপুরে ১৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ৬২ জনই ভূয়া

আতিকুর রহমান | জেলার খবর | ঝিনাইদহ | বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৭ | ০৭:২৫:০৮ পিএম

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে ১৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ৬২ জনই ভূয়া ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় থাকা ১৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ৬২ জনই ভূয়া। এমনটি দাবী করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কোটচাঁদপুর উপজেলার শালকোপা গ্রামের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম।

কোটচাঁদপুর পৌর পাঠাগার অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ দাবী করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম চুন্নু ও মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা করা হয়েছে তাতে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থ সুবিধা নিয়ে ও বিভিন্ন কারসাজি করে ৬২ জন ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তালিকায় অন্তভূক্তির করে আনা হয়েছে। এর মধ্যে একাত্তরের ঘাতক রাজাকারও রয়েছে।

এতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের হতাস করেছে। আমরা সে সকল ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেয়ার জন্য আপনাদের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি। তিনি বলেন, এর আগে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের একটি তালিকা তৈরী করে তদন্তের মাধ্যমে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম চুন্নু একটি আবেদন করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট। মন্ত্রী মহোদয় আ,ফ,ম মোজাম্মেল হক (এমপি) তিনি ১২/১০/২০১৪ তারিখে অভিযুক্তদের ভাতা বন্ধ রেখে তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দেন স্থানীয় নির্বাহী অফিসারকে।

অথচ আজ পর্যন্ত এ নির্দেশ কার্যকরি হয়নি। তিনি বলেন, কোটচাঁদপুরের একজন প্রভাবশালী মুক্তিযোদ্ধা ওই সকল ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ষার জন্য অবৈধ অর্থনৈতিক বাণিজ্য করে যাচ্ছে। পাশাপাশি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে আমাদেরকে বিভিন্ন হুমকী দিয়ে আসছে। এছাড়াও তিনি দাবী করেন, বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা কমা-ার তাজুল ইসলাম তিনি যুদ্ধ চলাকালিন সময়ে কমা-ার ছিলেন না।

এব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তাজুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা চলাকালিন সময়ে আমিও রফিকুল ইসলাম ও নুরুল ইসলামকে কখনোই যুদ্ধ ময়দানে দেখি নাই।

তিনি আরো বলেন, নতুন অন্তভূক্তি বিষয়ে গত যাচাই বাছাই কমিটির কাছে এই ৫৫জন মুক্তিযোদ্ধার নামে অভিযোগের বিষয়টি তোলেন বিগত নির্বাহী আফিসার দেবপ্রসাদ পাল। কিন্তুু ওই সময় মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম চুন্নু’’র একটি রীটের কারণে আদালত ওই যাচাই বাছায় স্থগিত করেন। এখন বলুন দোষটি কার।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন