মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৮ ০২:১০:০৯ পিএম

বড় কোনো সমস্যা দেখছেন না মাশরাফি

খেলাধুলা | বুধবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৭ | ০৪:১৬:৩৬ পিএম

বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগগুলোতে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুস্তাফিজুর রহমান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো তারকা খেলোয়াড়রা বিদেশি লিগগুলোতে দাপিয়ে খেলছেন।

দুবাইয়ে হতে যাওয়া টি-টেন টুর্নামেন্টে দল পেয়েছেন সাকিব, তামিম ও মুস্তাফিজ। পাকিস্তান সুপার লিগের নিয়মিত মুখ তামিম ও সাকিব। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ ও মুস্তাফিজ। তারা ভালো করলে ভবিষ্যতে অন্যদেরও সুযোগ বাড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু বিসিবি সেই অংশগ্রহণে লাগাম টেনে ধরতে যাচ্ছে।

চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারদের বছরে দুটির বেশি বিদেশি লিগে অংশগ্রহণে অনাপত্তিপত্র দেবে না বিসিবি। ফলে দেশের বাইরে বড় লিগে খেলার সুযোগ হারাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। বিষয়টিকে খুব বড় করে দেখছেন না ওয়ানডের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

আজ বারিধারায় এক অনুষ্ঠানে মাশরাফি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় না এটা বিরাট কোনো ইস্যু। আবার এটাও দেখেন, বাংলাদেশের কতজন খেলোয়াড় বাইরে খেলে। হয়তো বা সাকিব খেলে। সাকিব ও মুস্তাফিজ আইপিএল খেলে। আইপিএল ছাড়া সাকিব বেছে আরেকটা টুর্নামেন্ট খেলে! আমার কাছে মনে হয় না, এটা বড় কোনো সমস্যা হওয়ার কথা। এখনো আলোচনার জায়গা আছে। বিসিবির সঙ্গে কথা বলে খেলোয়াড়রা বিষয়টি বুঝতে পারবে।’

‘বাংলাদেশ দলে যারা খেলছে তাদের স্বপ্ন অবশ্যই বাংলাদেশ দলের জন্য খেলা। আমাদের সবাই চায় বাংলাদেশের হয়ে খেলতে, বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে। ওদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। ওরাও বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চায়’- যোগ করেন মাশরাফি।

চন্ডিকা হাথরুসিংহে পদত্যাগপত্র দেওয়ার পর থেকেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে, বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন কোচ হচ্ছেন স্থানীয় কেউ। স্থানীয় কোচে কোনো সমস্যা দেখছেন না মাশরাফি, ‘আমাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা। যেই কোচ হয়ে আসুক আমাদের লক্ষ্য থাকবে পরিকল্পনামাফিক খেলা। আমরা বিসিবির তত্ত্বাবধানে আছি। বিসিবি যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটা নিয়েই আমাদের থাকতে হবে।’

‘হাথুরুসিংহে তো এখনো নিশ্চিত হয়নি যে, সে যাবে কি যাবে না। তার দেশে আসার কথা রয়েছে। হাথুরুসিংহে এসে যদি আলোচনা করে থেকে যায়, তাহলে তো আলহামদুলিল্লাহ। আর যদি না থাকে তাহলে বিসিবি চিন্তা করবে। তবে দেশি কোচ এর আগে সারোয়ার ইমরান স্যার ছিলেন। আমি উনার অধীনে খেলেছি। একটা সময় সুজন ভাইও (খালেদ মাহমুদ) সহকারী কোচ ছিলেন (জেমি সিডন্সের সময়ে)। খেলোয়াড়রা অবশ্যই মানিতে নিতে পারবে।’

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন