বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ ০২:১৫:৩০ পিএম

ওরা চেয়েছিল আমাকে খোলামেলা পোশাক পরাতে..

বিনোদন | মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ | ০৩:৫০:০৫ পিএম

মুক্তি পেয়েছে ‘অকসর ২’। কিন্তু ছবি মুক্তির পর থেকে একের পরে এক বিষয় নিয়ে সমস্যা লেগেই আছে ছবির নায়িকা জারিন খান এবং প্রযোজক বরুণ বজাজের মধ্যে।

সম্প্রতি ‘অকসর ২’-এর প্রচারে গেলে উন্মত্ত জনতা ঘিরে ধরে জারিনকে। সেই ঘটনাকে ‘প্রায়-শ্লীলতাহানি’ বলে উল্লেখ করেন জারিন। জারিনের এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, সেই সময়ে তাঁর পাশে কোনও নিরাপত্তারক্ষীই ছিলেন না।

তবে প্রযোজকের পক্ষ থেকে এই দাবি পুরোপুরিই অস্বীকার করা হয়। প্রযোজকদের কথায়, ‘‘ওঁর ‘প্রায়-শ্লীলতাহানি’-র ঘটনা সম্পূর্ণ অসত্য। সেদিন স্পনসরদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন জারিন। তখন না খেয়ে মেজাজ দেখিয়ে চার জন দেহরক্ষী এবং ওঁর ম্যানেজারেরর সঙ্গে বেরিয়ে যান। যে স্পনসরের সঙ্গে বচসা তাঁর গাড়িতেই গিয়েই বসেন জারিন। তখন সেই স্পনসর ওই গাড়ির চাবি নিয়ে নেন। কিন্তু হোটেলে পৌঁছনোর জন্য জারিনকে গাড়ির ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়। সেখান থেকে কিছু না জানিয়েই জারিন মুম্বই চলে আসেন। ’’

এর পাল্টা জবাব দিয়েছে জারিন খানও। জারিন জানিয়েছেন, ‘‘ছবির প্রতিটি ফ্রেমে আমাকে খোলামেলা পোশাক পরাতে চেয়েছিলেন ওঁরা। আমি তো এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলবই! অতিরিক্ত মশলা ছবিতে কেন যোগ করা হচ্ছিল? নিজেদের বানানো ছবিটি নিয়ে কি ওঁরা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না? সব সময়েই ওঁরা চাইতেন আমি বেশি এক্সপোজ করি। ’’

শুধু পোশাক নয়। জারিনের দাবি, ছবিটির প্রতিটি দৃশ্যকে সেনসুয়াস থেকে অশ্লীল করে তোলা হচ্ছিল। ‘‘ছবিতে অকারণেই চুম্বনের দৃশ্য রাখা হয়েছিল। ’’

প্রচারে গিয়ে শ্লীলতাহানি হওয়ার প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘‘আমাকে কথাবার্তা বলার জন্য নিয়ে যাওয়া হলো। অথচ অন্যরা খেতে ও মদ্যপান করতে ব্যস্ত ছিলেন। সারারাত ধরে খাবার খাও আর মদ্যপান করো—এই ভাবে কি একজন মহিলার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত?’’

প্রযোজকদেরও আবার জারিনের বিরুদ্ধে রয়েছে হাজারো অভিযোগ। ‘‘ওই প্রচারে যাওয়ার মাত্র দু’দিন আগে জারিন এবং ওঁর টিম যাওয়ার কথা চূড়ান্ত করে। এর আগে সাংবাদিক বৈঠক এবং স্পনসর ভিজিট-সহ বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ভাঙেন জারিন। কোনও প্রচারেই তিনি পুরোপুরি থাকতেন না, যার জন্য আমাদের অনেক ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে। ’’ এমনই দাবি করা হয়েছে প্রযোজকের পক্ষ থেকে।

উল্টোদিকে নায়িকা ঘটনা নিয়ে আদালত পর্যন্ত যাওয়ার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘আমি কোনও সতী সাবিত্রী নই। কিন্তু কিছু জিনিস দু’পক্ষের অনুমতি নিয়ে করা উতিচ। আমি আদালত পর্যন্ত যেতে পারি। আমার কাছে কাগজপত্র আছে। এখন ছবির নির্মাতারা বাঁচার চেষ্টা করছেন। আমি আশা করছি আমায় যেন ওদের আর দেখতে না হয়। ’’

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন