বৃহস্পতিবার, ২১ জুন ২০১৮ ০৮:৩৭:২৫ এএম

রাশিয়া বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে ইতালিকে!

খেলাধুলা | শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭ | ০২:৫৭:২৩ এএম

ইতালি এখনও শোকের নগরী। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফে সুইডেনের কাছে হেরে ৬০ বছর পর বিশ্বসেরার মঞ্চে খেলার সুযোগ হারিয়েছে আজ্জুরিরা। তবে শোকে কাতর চারবারের বিশ্বসেরা দেশটিকে রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলার আশা যোগাচ্ছে পেরুর সংবাদ মাধ্যম ‘লিভেরো’। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফুটবলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে বিশ্বকাপের মূলপর্ব থেকে বহিষ্কৃত হতে পারে পেরু। আর তাতেই আশার বাতিটা খানিকটা হলেও যেন জ্বলে উঠেছে ইতালির জন্য।

লিভেরোর প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, পেরুর জাতীয় সংসদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন কংগ্রেসের মহিলা সদস্য প্যালোমা নচেডা। সেই প্রস্তাব সংসদে পাস হলে নির্বাচন ছাড়াই অগণতান্ত্রিক উপায়ে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি হতে পারবেন যে কেউ।

কিন্তু এমন উপায়ে ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কিংবা কাউন্সিলর হওয়া সম্পূর্ণভাবে খেলাটির অভিভাবক সংস্থা ফিফার নিয়মের পরিপন্থী। যেকোনো ফুটবল ফেডারেশনকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখার কড়া নিয়মও আছে ফিফার আইনে।

লিভেরো জানাচ্ছে, নচেডার প্রস্তাব সংসদে পাস হলে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে ফিফার সবরকম প্রতিযোগিতা থেকে বের করে দেয়া হতে পারে পেরুকে। অর্থাৎ, সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপও খেলা হবে না ৩৬ বছর পর বিশ্বসেরার মঞ্চের টিকিট পাওয়া পেরুর।

সেটি দেখেই আশায় বুক বাঁধছে ইতালির সমর্থকরা। পেরু বিশ্বকাপ খেলতে না পারলে ইতালি, নেদারল্যান্ডস কিংবা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব পেরোতে না পারা সাউথ আমেরিকার আরেক দল চিলিকে দিয়ে হতে পারে ৩২তম দলের শূন্যস্থান পূরণ। এক্ষেত্রে ফিফার সদস্য দেশগুলোই ভোটাভুটির মাধ্যমে ঠিক করবে কোন দল যাবে বিশ্বকাপে।

ভাল খবরের উল্টো পিঠে বড় দুঃসংবাদও অপেক্ষা করে আছে আজ্জুরিদের জন্য। যার জন্য হুমকির মুখে পেরুর বিশ্বকাপ স্বপ্ন, সেই প্যালোমা নচেডা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তুলে নেবেন নিজের প্রস্তাবনা। সেক্ষেত্রে পরের নির্বাচনে বিশাল পরিমাণ জনগণের ভোট হারাতে পারেন তিনিও। কেননা তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম ছিল পেরুর ক্রীড়াজগতে বড় পরিবর্তন আনা। সেটির প্রথমধাপই ছিল নির্বাচনবিহীন ফুটবল ফেডারেশন।

নচেডা তার প্রস্তাব তুলে নেবেন কিনা আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে আজ্জুরিরা। কংগ্রেসম্যানের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে পেরুর ক্রীড়াজগতে কোন পরিবর্তন আসুক না আসুক, ইতালির ফুটবলে বড় নিয়ামক হয়ে আসতেই পারে। একেবারে নিভে যাওয়া সলতেটা টিমটিমিয়ে জ্বলতে এর বাইরে যে আর কোন পথই খোলা নেই বুফনের ইতালির জন্য।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন