মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৬:০৯:৪১ এএম

বাবা-মায়ের মাঝে শায়িত হবেন ছায়েদুল হক

জাতীয় | শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ০৪:২৪:২২ পিএম

বাবা-মায়ের কবরের মাঝখানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাড. ছায়েদুল হক। রোববার বাদ জোহর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের পূর্বভাগ গ্রামের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

ছায়েদুল হকের চাচাতো ভাই আবদুল বাছির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ছায়েদুল হকের জন্য তার বাবা-মায়ের কবরের মাঝখানে কবর খোঁড়া হচ্ছে।

রোববার বাদ জোহর পূর্বভাগ এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তৃতীয় জানাজা শেষে কল্লরপাড় পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের মাঝখানেই শায়িত হবেন তিনি।

এর আগে রোরবার সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রী ছায়েদুল হকের প্রথম নামাজের জানাজা। এরপর মরদেহ হেলিকপ্টারে করে আনা হবে তার নিজ নির্বাচনি এলাকা নাসিরনগর উপজেলায়। নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে দ্বিতীয় জানাজার পর মরদেহ নিজ বাড়িতে আনা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন ছায়েদুল হকের সহকারী একান্ত সচিব মিজানুর রহমান।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) মারা যান মন্ত্রী ছায়েদুল হক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জ্বর, ইউরিন ইনফেকশন ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন। আগস্ট মাস থেকে প্রোস্টেট গ্লান্ডের সংক্রমণে ভুগছিলেন এবং ১৩ ডিসেম্বর থেকে হাসপাতালের আইসিইউ-এর ১৬ নম্বর বেডে লাইফ-সাপোর্টে ছিলেন তিনি।

মন্ত্রী ছায়েদুল হক ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে মোট পাঁচবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার নিয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিও ছিলেন।

ছায়েদুল হক ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা আন্দোলনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং ১৯৬৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধেও সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে প্রথমবারের মতো নাসিরনগর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন