বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১১:০৫:০১ এএম

শিবচরে শিশুর লাশ উদ্ধার

জেলার খবর | মাদারীপুর | সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ | ০৫:০৮:৩০ পিএম

মাদারীপুরের শিবচরে অপহরনের ৭ দিন পর ওবায়দুর চোকদার (১০) নামের তৃতীয় শ্রেনীর এক ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত মধ্যরাতে মাদবরেরচর এলাকার পুরাতন জাহাজঘাট এলাকার নদীর মধ্যে মাছের ঘের থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পুলিশ এ ঘটনার মূল হোতা মারুফ চোকদারকে গ্রেফতার করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে খেলার কথা বলে নিহত ওবায়দুর বাড়ি থেকে বের হয়। পরে সেখান থেকে আর ফিরে আসেনি।

নিহত ওবায়দুর উপজেলার মাদবরের চর ইউনিয়নের পূর্ব খাড়াকান্দি গ্রামের রতন চোকদারের ছেলে। সে খাড়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনির ছাত্র ছিল। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই এলাকার মারুফ (২০), ইমরান (১৮), মনির(১৭) ও রাকিব (২০) নামের চার বখাটে যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শিবচর থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহের মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিশু ওবায়দুল অপহরনের পর বুধবার সন্ধ্যায় একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন দিয়ে মুক্তিপনের ১০ লক্ষ টাকা দাবী করে। এরপর থেকেই ওই ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে গত শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) শিবচর থানায় জিডি করা হলে পুলিশ কৌশলে মারুফ নামের যুবককে আটক করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে অপহরনের কথা স্বীকার করলে পুলিশ অন্যদের আটক করে এবং তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী গত মধ্যরাতে মাছ ধরার জন্য নদীর ঘেরের মধ্য থেকে লাশটি উদ্ধার করে।

নিহত ওবায়দুরের মা জাহানারা বেগম বিলাপ করতে করতে জানান, ১০লক্ষ টাকা দাবী করে ওবায়দুরকে ফিরিয়ে দিতে। এরপর আর যোগাযোগ করেনি।

পুলিশ কললিস্টের সুত্র ধরে কৌশলে পাশের বাড়ির মারুফ চোকদার নামের যুবককে রবিবার রাতে আটক করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে অপহরনের কথা স্বীকার করে এবং তার দেয়া তথ্যানুযায়ী আজ ভোর রাতে মাদবরেরচর এলাকার পুরাতন জাহাজঘাট এলাকার নদীর মধ্যে মাছের ঘের থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

গত মধ্যরাতে মাছ ধরার নদীর ঘেরের মধ্য থেকে লাশটি উদ্ধার করে। নিহত ওবায়দুর উপজেলার মাদবরের চর ইউনিয়নের পূর্ব খাড়াকান্দি গ্রামের রতন চোকদারের ছেলে। সে খাড়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনির ছাত্র ছিল।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানান, এ ঘটনায় ৪জনকে আটক করা হয়েছে। গুরুত্বের সাথে বিষয়টি আমরা দেখছি। পদ্মা সেতুর অধিগ্রহনের ক্ষতিপূরনের টাকার ভাগাভাগির দ্বন্দ্ব নিয়ে মারুফ, তার বাবা ফরিদ চোকদার ও মোহাম্মদ মুন্সী এ হত্যাকান্ড ঘটায় বলে আটক মারুফ পুলিশকে নিশ্চিত করেছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন