মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ ০১:৪৩:৩৯ এএম

আইএস এখনও বিশ্বের জন্যে হুমকি

আন্তর্জাতিক | মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ | ০৪:২৩:৪৯ পিএম

ইরাকে ২০১৭ সালে ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) ব্যাপকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। ইরাক ও সিরিয়ায় স্বঘোষিত ‘খিলাফতে’র প্রায় পুরোটাই তাদের হাতছাড়া হয়ে গেছে। তা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আইএস এখনো বিশ্বের জন্যে হুমকি। বছর শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এক উজবেক তুরস্কের ইস্তাম্বুলের একটি নাইটক্লাবে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ৩৯ জনকে হত্যা করে। হামলাকারী নিজেকে ‘খিলাফতের সৈনিক’ হিসেবে পরিচয় দেয়।

সরাসরি অস্ত্রে সজ্জিত করে অথবা অনলাইন প্রপাগান্ডা চালিয়ে আইএস বছরের প্রথম ছয় মাসে পাকিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান, মিশর, সোমালিয়া ও গ্রেট ব্রিটেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাতে উগ্রবাদীদের উদ্বুদ্ধ করে। এসব হামলায় বিপুল সংখ্যক লোক হতাহত হন।

এই হামলাকারীদের একজন লিবীয় বংশদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক সালমান আবেদী। ২২ মে ম্যানচেষ্টারে অ্যারিয়ানা গ্রান্ডের পপ কনসার্ট চলাকালে আবেদীর বোমা হামলায় বেশ কয়েকজন শিশুসহ ২২ জন প্রাণ হারান।

আইএস’র নির্দেশে উৎসাহিত হয়ে উগ্রবাদীরা লন্ডন, স্টকহোম, নিউইয়র্ক ও বার্সেলোনায় গাড়ির নিচে পিষ্ট করে মানুষকে হত্যা করেছে। ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে এই সব হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে। এ ধরনের হামলা ঠেকানো খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।

২০১৬ সালের শরৎকালে ইরাক ও সিরিয়ায় উগ্রবাদী সংগঠনটির বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান শুরু হয়। এতে আইএস অনেকাংশে দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আইএস সমর্থিতরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করে।

আইএস বিদেশে নেটওয়ার্ক পরিচালনা, সদস্য সংগ্রহ, অর্থ যোগান ও তাদের অভিযানগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য একটি ঘাঁটি স্থাপন করেছে।

কিন্তু দৃশ্যমানভাবে সংগঠনটির এই নেটওয়ার্কের কোনো অস্তিত্ব না থাকায় হামলাগুলোর লাগাম টেনে ধরা বা এর অবসান করা যাচ্ছে না।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন