সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৯:৩৯:১৬ এএম

৬ নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও: অবশেষে ধরা পড়ল সেই ছাত্রলীগ নেতা

আইন আদালত | মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | ০৭:৫৪:৫৭ পিএম

প্রতারণা ও ভয়ভীতির মাধ্যমে ছয় নারীকে ধর্ষণ ও সেই ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে শরীয়তপুরের সেই আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা আরিফ হাওলাদার অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে গোসাইরহাট উপজেলার সাইক্কা ব্রিজ এলাকায় জয়ন্তিকা নদী থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। দেড় মাস পলাতক থাকার পর শরীয়তপুরের গোসাইরহাট সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) থান্দার খায়রুল হাসান নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

আরিফ শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক। ভুক্তভোগী নারীদের একজন ১১ নভেম্বর আরিফের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইনে ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন। একই দিন আরিফকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ।

এএসপি থান্দার খায়রুল হাসান বলেন, ‘মামলা হওয়ার পর আরিফ হোসেন পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। পুলিশের তিনটি টিম তাকে ধরার জন্য কাজ করেছে। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং পুলিশ হেড কোয়ার্টার এলআইসি’র সহযোগিতায় আরিফ হাওলাদারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরিফ এতোদিন চাঁপুরের ফরিদগঞ্জ এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন। আজ (মঙ্গলবার) চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থেকে শরীয়তপুর আসার পথে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোসাইরহাট উপজেলার সাইখা ব্রিজের ওপর তাকে গ্রেফতার করা হয়।’

উল্লেখ্য, ভেদরগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আরিফ হাওলাদার গোপনে একাধিক মেয়ের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও করে। পরে ওইগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের ধর্ষণ করে। এসব ধর্ষণের ছবি ও গোপন ভিডিও ধারণ করে রাখে। লোকলজ্জার ভয়ে ঘটনার শিকার নারীরা এসব কথা কাউকে না বললেও সম্প্রতি ওই সব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ১১ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঘটনার শিকার ভুক্তভোগী এক গৃহবধূ ভেদরগঞ্জ থানায় আরিফের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে ছাত্রলীগ নেতা আরিফ পলাতক ছিল।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন