মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০১৮ ০৯:৩১:১৯ এএম

সুইডেনের আকর্ষণীয় দ্বীপে পর্যটকদের ঢল

আন্তর্জাতিক | শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮ | ০৬:১৩:২০ পিএম

সুইডেনের ওলান্ড দ্বীপ পর্যটকদের কাছে
খুবই প্রিয়৷ সেখানে রাজপরিবারের গ্রীষ্মকালীন আবাসও রয়েছে৷ দ্বীপের অতীত
চরিত্র এখনো পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি৷ ভবিষ্যতের জন্যও তা সংরক্ষণ করার
উদ্যোগ চলছে৷


ওলান্ড দ্বীপে বেড়াতে গেলে সাধারণত সেতু
পেরিয়েই যাত্রা শুরু হয়৷ হেমন্ত এলে দ্বীপের রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া রুক্ষ
হয়ে ওঠে৷ যারা শান্ত পরিবেশ পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটাই সেরা সময়৷ কারণ
বাকি সময় পর্যটকদের ভিড় লেগে থাকে৷ তখন ওলান্ড দ্বীপের অপূর্ব প্রকৃতির
স্বাদ পাওয়া কঠিন হয়৷


প্রায় ১৩৭ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বীপের
উপকূলের সব প্রান্তেই একটি করে লাইটহাউস রয়েছে৷ উত্তরে তার নাম লম্বা এরিক৷
ওলান্ড স্থানীয় ইতিহাস মিউজিয়ামের ইয়ুলিউস সেয়েফ বলেন, ‘এই দ্বীপে
সমুদ্রযাত্রার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে৷ লাইটহাউসগুলি তারই চিহ্ন৷ দ্বীপের ঠিক
সামনের জলপথে অনেক বাধা রয়েছে৷ তাই এতগুলি লাইটহাউস রয়েছে৷ দু`টি বড়,
অন্যগুলি ছোট৷`



উইন্ড মিলও দ্বীপের নিসর্গের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ৷ আজ বেশিরভাগ মিলই অচল৷ আগে সারা বছর সমুদ্রের বাতাসের ধাক্কায় পাখা ঘুরতো৷


এখানকার কৃষিকাজে সেগুলির বিশেষ গুরুত্ব
ছিল৷ ইয়ুলিউস সেয়েফ বলেন, ‘একটা সময় ছিল, যখন দ্বীপের প্রায় সব চাষির
বাড়িতে নিজেদের চাহিদা মেটাতে উইন্ডমিল ছিল৷ ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি
সময়ে ওলান্ড দ্বীপে প্রায় ২,০০০ মিল ছিল৷`


দ্বীপের সোললিডেন দুর্গও একটা বড় আকর্ষণ৷
ওলান্ড দ্বীপের সুবাতাস গ্রহণ করতে বিংশ শতাব্দীর শুরুতে সুইডেনের তৎকালীন
রানি ভিক্টোরিয়া গ্রীষ্মকালীন আবাস হিসেবে দুর্গটি তৈরি করিয়েছিলেন৷
দুর্গের বাগানটি আজও এক দৃষ্টব্য৷ দুর্গের প্রতিনিধি আনা শিবলি বলেন,
‘দুর্গের বাগানের সবচেয়ে প্রাচীন অংশে এক ইংলিশ পার্ক ও এক ইটালীয় বাগান
রয়েছে৷ রানি ভিক্টোরিয়ার আমলেই এগুলি তৈরি হয়েছিল৷ তাছাড়া পরে কিছু অংশ
যোগ হয়েছে৷ আমরা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পার্কের রক্ষণাবেক্ষণ করি, যাতে
ভবিষ্যতেও সেটি আকর্ষণীয় হয়ে থাকে৷`


পর্যটকদের কাছে সোললিডেন দুর্গ অত্যন্ত
প্রিয় গন্তব্য৷ কার্ল গুস্তাফ, সিলভিয়া ও রাজপরিবারের সদস্যরা গ্রীষ্মকালে
কোথায় যান, পর্যটকরা একবার সেই জায়গা দেখতে চান৷


সূত্র: ডয়েচ ভেলে


খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন