রবিবার, ২০ মে ২০১৮ ০৫:৪৬:০১ পিএম

সিটি নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ ইসির

আইন আদালত | বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮ | ০৭:৩৭:৫৪ পিএম

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি, ডিএসসিসি) নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

হাইকোর্ট ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচন ছয় মাস ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৮টি ওয়ার্ডের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিতের নির্দেশ দেওয়ার পর ইসি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ইসি জানিয়েছে, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

হেলালুদ্দীন বলেন, রায়ের মূলকপি এখনো পাইনি। মূলকপি পেলে আমরা তা কমিশনে উপস্থাপন করবো। কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি হবে না।

তিনি বলেন, কমিশনের ১৭তম সভায় হিজড়াদের ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ হিসেবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ২০১২ সালের পর থেকে যারা ভোটার হয়েছেন কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র পাননি, তাদের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রামে গ্রামে জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহ করা হবে।

অন্যদিকে, প্রবাসীদেরও ভোটার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে আন্তর্জাতিক সেমিনারের মাধ্যমে সুপারিশ গ্রহণ করে এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এনআইডি সার্ভারকে আরো আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সমৃদ্ধ করবো।

গত ৯ জানুয়ারি ডিএনসিসি’র মেয়র পদে উপ-নির্বাচন, নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের সাধারণ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু ১৬ জানুয়ারি ভাটারা থানার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান এবং বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

বুধবার শুনানি শেষে আদালত আগামী তিন মাসের জন্য ওই তফসিলের ওপর সব কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ওই নির্বাচনের জন্য তফসিল কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত’ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

স্থানীয় সরকার সচিব, নির্বাচন কমিশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র, নির্বাচন কমিশন সচিব ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিবকে এর জবাব দেওয়ার কথা বলা হয়।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন