মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ ১১:৫৬:৩৭ পিএম

পশ্চিমবঙ্গের ‘সব্যসাচী সাহিত্য পদক’ পেলেন উমর ফারুক

সাহিত্য | শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮ | ০৮:৩০:০৬ পিএম

বাংলা সাহিত্যে অবদান রাখায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ২০১৭ সালের ‘সব্যসাচী সাহিত্য পদক’ পেলেন বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক এম. উমর ফারুক।

বৃহস্পতিবার কোলকাতার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উমর ফারুকের হাতে সব্যসাচী পদক তুলে দেন।

সব্যসাচী পত্রিকার সম্পাদক কবি ও কথাসাহিত্যিক নরেশ মণ্ডলের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কথাসাহিত্যিক ঘনশ্যাম চৌধুরী, শ্যামা প্রসাদ ভট্রাচার্য, রাহুল গোস্বামী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক এম. উমর ফারুককে উত্তরীয় পরিয়ে ও ফুল দিয়ে বরণ করেন।

অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক ঘনশ্যাম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে অনেক ভালো সাহিত্য চর্চা হচেছ। বাংলাদেশের অনেক লেখক কোলকাতায় এসে বই প্রকাশ করছে। কোলকাতার অনেক লেখক বাংলাদেশে গিয়ে বই প্রকাশ করছে। সাহিত্য দু’দেশের লেখক আর পাঠকের মাঝে একটা সম্পর্কের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।

সম্পাদক কবি ও কথাসাহিত্যিক নরেশ মণ্ডল বলেন, বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক উমর ফারুকের লেখা সব্যসাচী পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে। তার প্রকাশিত উপন্যাস ও ছোট গল্পের বই পড়েছি। এর মধ্যে ‘যে রাতে দিন হয় না’ উপন্যাসটি বেশ ভালো। তাই তার হাতে ‘সব্যসাচী সাহিত্য পদক’ তুলে দেয়া হলো।

কথাসাহিত্যিক এম. উমর ফারুক ১৯৯৭ সালে কবিতা লেখার মধ্য দিয়ে লেখালেখি শুরু করেন। তিনি উপন্যাস, ছড়া, কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, গান ও নাটক লেখেন নিয়মিত। তার লেখা একাধিক নাটক টিভিতে প্রচারিত হয়েছে, কয়েকটি অ্যালবামও প্রকাশ পেয়েছে।

সাহিত্যে অবদানের জন্য ঢাকা রির্পোটাস ইউনিটি লেখক সম্মাননা- ২০১৭ ২০১৬, ২০১৫, ২০১৪, ২০১৩ ও ২০১১ পেয়েছেন। জাতীয় মানবাধিকার পদক-২০১২, হাছন রাজা স্মৃতি স্বর্ণপদক-২০১০ পান। চিলমারী পাবলিক লাইব্রেরী লেখক সংবর্ধনা-২০০৭ পান। রংপুর ছান্দসিক সাহিত্য সেরা কবি ২০০৮ সম্মাননা ও বাংলাদেশ সাহিত্য পরিষদ হতে ছান্দসিক কবি পদক-২০০২ লাভ করেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য চিলমারী থেকে সাপ্তাহিক জনপ্রাণ থেকেও সংবর্ধিত হন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংষ্কৃতিক সংগঠন থেকে সংবর্ধিত হন। লেখক চিলমারী সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা, সৃজন সাহিত্য পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাহিত্য পত্রিকা ‘বেলা অবেলা’র সম্পাদক।

লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থ সমুহ হচ্ছে, যে রাতের দিন হয় না (উপন্যাস), ঝরা ফুলের ঘ্রাণ ( ছোট গল্প), মেঘে ঢাকা চাঁদ (উপন্যাস), পথে প্রান্তরে সাংবাদিকতা (সাংবাদিকতা বিষয়ক), যন্ত্রণার পদাবলি (উপন্যাস), হৃদয় ভাঙ্গা ঢেউ ( ছোট গল্প), হৃদয়ের পরবাসে (কাব্যগ্রন্থ) নির্মম নিয়তি (উপন্যাস), প্রেম শুধু কাঁদিয়ে গেল(উপন্যাস)বইগুলো ইতোমধ্যে পাঠক প্রিয়তা পেয়েছে।

লেখক এম. উমর ফারুক ১৯৮৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সাদুল্যা তেলীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মো. গোলাম হোসেন সরকার ও আনোয়ারা বেগমের চার সন্তানের মধ্যে সবার বড়।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন