শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০২:১৬:০৭ পিএম

মুখে টেপ লাগিয়ে রোকসানাকে ধর্ষণ করি: ঘাতকের মুখে হত্যার বর্ণনা

জেলার খবর | নারায়ণগঞ্জ | মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮ | ১১:২৫:৪৪ এএম

সিদ্ধিরগঞ্জে ১০ বছরের স্কুল ছাত্রী রোকসানাকে অপহরণের পর ধর্ষণ, হত্যা ও লাশ গুমের বর্ণনা দিয়েছেন হত্যাকারী নিজেই। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে মূলহোতা রায়হান কবির সোহাগ (২৮) নিজের দোষ স্বীকার করে নারায়নগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।

এর আগে রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের নবীগঞ্জ টি হোসেন রোড এলাকায় নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

জবানবন্দিতে সোহাগ জানান, বেড়ানোর কথা বলে আমি রোকসানাকে বাসায় নিয়ে যাই। পরে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে তাকে ধর্ষণ করি। এবং হাত-পা বেঁধে গলায় পাড়া (পা দিয়ে চেপে) দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করি। তারপর লাশ একটি বস্তায় ভরে ব্রিজের ঢালে ফেলে দেই।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরফুদ্দিন আহমেদ জানান, রায়হান রোকসানা হত্যার একমাত্র আসামি। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশ প্রথমে রায়হান কবির সোহাগের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্কুল ছাত্রী রোকসানাকে অপহরণ করে নিজ বাসায় নিয়ে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে। পরে নিহত রোকসানার হাত পা বেঁধে বস্তায় ভরে একটি ব্যাটারি চালিত আটো রিকসায় করে সোনারগাঁয়ের কাইক্কারটেক চর এলাকায় নিয়ে ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে আসে।

এদিকে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করলে ঐ দিন বিকেলে রায়হান নারায়নগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আহমদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে হাজির করা হয়। পরে সে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে আদালতে। আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন