রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৯:০৮:৪৯ এএম

১৬৫ দেশে গেছে ১ কোটি ১৪ লাখ বাংলাদেশি কর্মী

জাতীয় | ঢাকা | মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮ | ১১:০১:২৮ পিএম

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ছাড়পত্র নিয়ে (ডিসেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত) বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা ১ কোটি ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৩। এসব কর্মী বিশ্বের ১৬৫ দেশে গেছেন।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মুহা. গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২) এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে প্রবাসীরা দেশে ৬ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠিয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের নানামুখী উদ্যোগের কারণে ২০১৭ সালে রেকর্ড সংখ্যক ১০ লাখ ৮ হাজার ৫২৫ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। অদক্ষ কর্মীর তুলনায় দক্ষ কর্মীর অভিবাসন ব্যয় কম, চাহিদা ও বেতন বেশি। তাই বর্তমান সরকার দক্ষ কর্মী তৈরীর ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করেছে। অধিক হারে জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে সারা দেশে প্রশিক্ষণকেন্দ্রের সংখ্যা ইতিমধ্যে ৩৮ থেকে বাড়িয়ে ৭০টি করা হয়েছে।

সংসদ সদস্য রোকসানা ইয়াসমিনের (সংরক্ষিত আসন-২৬) এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রতারণার দায়ে গত ৮ বছরে ১৩১টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০১০ সালে ২৬টি, ২০১১ সালে ২২টি, ২০১২ সালে ১৬টি, ২০১৩ সালে ১৭টি, ২০১৪ সালে ১৩টি, ২০১৫ সালে ১২টি, ২০১৬ সালে ১১টি ও ২০১৭ সালে ১৪টি এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এগুলোর লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বহু এজেন্সির জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে যেসব কর্মী দেশে ফেরত আসছেন সেসব কর্মীর পুনর্বাসন করার বিষয়টি সরকারের বিবেচনাধীন আছে। ইতোমধ্যে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। সেখান থেকে দেশে ফেরত আসা দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের ১১ শতাংশ সুদে পুনর্বাসন ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাহিদা না থাকায় বর্তমানে মালয়েশিয়ায় সরকারিভাবে কোনো কর্মী পাঠানো হচ্ছে না।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন