বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৪:৫৩:৩৪ এএম

তজুমদ্দিনে দেশীয় অস্ত্র সহ আটক ৫, আতংকে চরজহির উদ্দিনবাসি

জেলার খবর | ভোলা | বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ১০:৩৬:৩৫ পিএম

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বালিয়াকান্দি এলাকা থেকে দেশীয় অস্ত্র সহ ৫ জন কে আটক করে তজুমদ্দিন থানার পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি রামদা, একটি শাবল, একটি লোহার পাই উদ্ধার করা হয়। বুধবার (৩১ই জানুয়ারি) রাত প্রায় ১২ ঘটিকার সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এসকল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, মোঃ লোকমান - পিতা: এছহাক সিকদার, মোঃ আব্বাছ ওরফে বেচু - পিতা: আবদুল লতিফ, মোঃ সবুজ - পিতা: মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ নয়ন - পিতা ইউনুছ চৌধুরী, মোঃ হেলাল - পিতা: মোঃ সফিজল।

তজুমদ্দিন থানার ওসি ফারুক আহমেদ জানান, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র সহ এদের কে আটক করি। এদের মূল লক্ষ্য ছিলো ডাকাতি ও নাশকতা সৃষ্টি করা। এদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহিরউদ্দিনের সাধারন মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী কুচক্রি মহলের সন্ত্রাসী বাহিনীর চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি অবস্থায় জীবন যাপন করতো। তারা স্বাধীন ভাবে চলতে পারতো না। নিয়মিত এসকল সাধারন মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করতো ঐ প্রভাবশালি চক্রের ক্যাডাররা। কেউ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে প্রতিবাদকারীর উপর হামলা করা হতো। নিজের বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হতো। এভাবেই চলছিলো বছরের পর বছর। চাঁদাবাজদের অত্যাচারে চর জহির উদ্দিনের মানুষের চিৎকার আহাজারির দীর্ঘ অবসান ঘটানোর জন্য তাদের পাশে এসে দাড়ায় তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ কাশেম মিয়ার সন্তান বিশিষ্ট সমাজ সেবক মাজহারুল ইসলাম মিঠু। এখানকার অশান্ত পরিবেশ কে শান্ত করার জন্য নির্লস ভাবে কাজ করে যায় মিঠু। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠিন অবস্থান নেন মিঠু। তার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় চর জহিরউদ্দিনের মানুষ চাঁদাবাজদের ভয়াল থাবা থেকে মুক্তি লাভ করে। চরের মানুষরা যেনো অন্ধকারে আশার আলো দেখতে পায়। পর্যায়ক্রমে সোনাপুর ইউনিয়নের সকল সাধারন মানুষের আস্থাবাজন হয়ে যান মিঠু। মিঠুর এসকল সমাজসেবা মূলক সাহসী কর্মকান্ডে মূগ্ধ হয়ে সোনাপুর বাসি মাজহারুল ইসলাম মিঠু কে সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান করার দাবি তুলেন।

মিঠু কে সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখার জন্য ফেসবুক সহ সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যমে মিঠুর ভক্তরা জোড় প্রচারনা চালায়। সোনাপুর ইউনিয়নে মিঠুর প্রতি সাধারন মানুষের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখে চাঁদাবাজরা আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠে।

তারা মিঠুকে মাঝপথে থামিয়ে দেওয়ার জন্য এবং তার সমর্থকদের উপর হামলা চালানোর উদ্দ্যেশ্যে এবং পুনরায় চর জহিরউদ্দিনে আদিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে এলাকার শান্ত পরিবেশ কে বিনষ্ট করার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে বহিরাগত সন্ত্রাসী ও ডাকাতদের কে ভাড়া করে হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছেন। এদের মূল লক্ষ্যই ছিলো চর জহিরউদ্দিনে প্রবেশ করে নাশকতা সৃষ্টি করা।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন