মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ০৩:৫৩:৩৮ পিএম

তদন্ত শেষে সিদ্বান্ত নেবেন ভিসি

নুর হাসান নাঈম | শিক্ষাঙ্গন | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় | রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ০১:০১:৪৯ পিএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে বহিস্কার ও আরেক শিক্ষার্থীর ফল আটকে দেওয়ার ডিসিপ্লিন বোর্ডের সুপারিশের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। একই সাথে ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে এক জরুরী সিন্ডিকেটের মিটিংয়ে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান সিন্ডিকেটের সচিব রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক।

রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলাউদ্দিনকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক আব্দুল জব্বার হাওলাদার, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক রাশেদা ইয়াসমিন শিল্পী, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক পৃথ্বিলা নাজনীন নীলিমা ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা ১) মো. আবু হাসান।

এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার রাস্তার পাশে ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিং করাকে কেন্দ্র করে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাগবিতান্ডা হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় ঘটনার সময় আইন ও বিচার বিভাগের আরমানুল ইসলাম খান ও অর্থনীতি বিভাগের নুরুউদ্দিন মাহমুদ সানাউল কর্তৃক ‘লাঞ্ছিত’ হয়েছেন দাবি করে তাদের বিরুদ্ধে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন নাহরিন ইসলাম খান ও সহযোগী অধ্যাপক উম্মে সায়কা।

এরপর ২৯ জানুয়ারি দুপুরে এক মিটিংয়ে আরমানকে বহিষ্কার ও সানাউলের ফলাফল আটকে রাখার সুপারিশ করে ডিসিপ্লিনারি কমিটি। এ সিদ্বান্তের প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন, মৌনমিছিলে সামিল হয়ে ভিসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন