রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮ ০২:০৩:২৩ এএম

বিভিন্ন কৌশলে মাঠে থাকবে বিএনপি! কি সেই কৌশল?

রাজনীতি | বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ১২:২২:৫১ এএম

রাজধানীসহ সারাদেশে রাজপথে শক্ত অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তারা বিভিন্ন কৌশলে এ অবস্থান নিশ্চিত করবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের কৌশলেরও পরিবর্তন ঘটবে।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন থেকে আদালতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকেই তাকে অনুসরণ করবেন নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা শান্তিপূর্ণভাবে গাড়িবহরে অবস্থান করবেন। তবে মামলার রায় ঘোষণার পর থেকে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দলটির সিনিয়র নেতারা।

তারা জানান, রায় ঘোষণার পর একদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর মনোভাব ও অন্যদিকে দলের নেতাকর্মীদের আবেগ- এই পরিস্থিতি নিয়ে অনেকেই শঙ্কিত। তাই দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বারবার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের নির্দেশনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করেনি। কিন্তু সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় শুধু ঢাকা নয়, পুরো দেশ জিম্মি হয়ে পড়েছে। বিরোধী দলের কোনো নেতাকর্মী নিরাপদে বাসায় থাকতে পারছে না। নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে পরিবারের সাধারণ মানুষদের।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিনও নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবেন। যেমনটা আগে ছিলেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাজা দেওয়া হলে সরকারের যে কোনো হুমকির মুখে তারা মাঠে থাকবেন বলেও জানান রিজভী।

দলের নেতাকর্মীরা জানান, খালেদা জিয়ার গাড়িবহর ছাড়াও পুরো ঢাকা শহরে বিচ্ছিন্ন ও আলাদাভাবে প্রতিবাদ মিছিল বের করবেন দলটির নেতাকর্মীরা। রাজধানীর গাবতলী থেকে শুরু করে গুলিস্থান, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন পয়েন্টে নেতাকর্মীরা জড়ো হবেন। তবে পুরান ঢাকার সিএমএম কোর্ট, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় অবস্থিত বিশেষ জজ আদালত ও উচ্চ আদালত এলাকায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও তৎপরতা বেশি থাকবে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আজকের কর্মসূচি সফল করার জন্য মহিলা দলকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে নেতারা যেতে না পারলে ব্যাপকসংখ্যক নারী নেত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চাইছেন দায়িত্বশীলরা। এ জন্য মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে বিশেষ বার্তাও দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর ও থানাভিত্তিক কমিটিগুলোকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দও খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে থাকতে পারেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ রয়েছেন। বড় শোডাউন এবং গণজমায়েত করার জন্য ঢাকার আশপাশের বেশ কয়েকটি জেলা থেকে নেতাকর্মীরা রাজধানীকেন্দ্রিক অবস্থান নিয়েছেন।

ঢাকার নেতাকর্মীদের প্রশাসন চিহ্নিত করতে পারলেও তাদের হয়রানি করতে পারবে না মনে করে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছেন তারা। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার এক যুবদল নেতা বলেন, পুলিশি তল্লাশির আগেই অনেক নেতাকর্মী ঢাকা চলে এসেছেন। খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন তারা যে কোনো মহৃল্যে ঢাকায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চান।

খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই কার্যালয়ের আশপাশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়কে ঘিরে গতকাল সকাল থেকেই পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সমকালরাজধানীসহ সারাদেশে রাজপথে শক্ত অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তারা বিভিন্ন কৌশলে এ অবস্থান নিশ্চিত করবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের কৌশলেরও পরিবর্তন ঘটবে।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন থেকে আদালতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকেই তাকে অনুসরণ করবেন নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা শান্তিপূর্ণভাবে গাড়িবহরে অবস্থান করবেন। তবে মামলার রায় ঘোষণার পর থেকে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দলটির সিনিয়র নেতারা।

তারা জানান, রায় ঘোষণার পর একদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর মনোভাব ও অন্যদিকে দলের নেতাকর্মীদের আবেগ- এই পরিস্থিতি নিয়ে অনেকেই শঙ্কিত। তাই দলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বারবার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের নির্দেশনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করেনি। কিন্তু সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় শুধু ঢাকা নয়, পুরো দেশ জিম্মি হয়ে পড়েছে। বিরোধী দলের কোনো নেতাকর্মী নিরাপদে বাসায় থাকতে পারছে না। নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে পরিবারের সাধারণ মানুষদের।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিনও নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবেন। যেমনটা আগে ছিলেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সাজা দেওয়া হলে সরকারের যে কোনো হুমকির মুখে তারা মাঠে থাকবেন বলেও জানান রিজভী।

দলের নেতাকর্মীরা জানান, খালেদা জিয়ার গাড়িবহর ছাড়াও পুরো ঢাকা শহরে বিচ্ছিন্ন ও আলাদাভাবে প্রতিবাদ মিছিল বের করবেন দলটির নেতাকর্মীরা। রাজধানীর গাবতলী থেকে শুরু করে গুলিস্থান, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ীর বিভিন্ন পয়েন্টে নেতাকর্মীরা জড়ো হবেন। তবে পুরান ঢাকার সিএমএম কোর্ট, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় অবস্থিত বিশেষ জজ আদালত ও উচ্চ আদালত এলাকায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও তৎপরতা বেশি থাকবে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, আজকের কর্মসূচি সফল করার জন্য মহিলা দলকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে নেতারা যেতে না পারলে ব্যাপকসংখ্যক নারী নেত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চাইছেন দায়িত্বশীলরা। এ জন্য মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটিকে বিশেষ বার্তাও দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর ও থানাভিত্তিক কমিটিগুলোকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দও খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে থাকতে পারেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ রয়েছেন। বড় শোডাউন এবং গণজমায়েত করার জন্য ঢাকার আশপাশের বেশ কয়েকটি জেলা থেকে নেতাকর্মীরা রাজধানীকেন্দ্রিক অবস্থান নিয়েছেন।

ঢাকার নেতাকর্মীদের প্রশাসন চিহ্নিত করতে পারলেও তাদের হয়রানি করতে পারবে না মনে করে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছেন তারা। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার এক যুবদল নেতা বলেন, পুলিশি তল্লাশির আগেই অনেক নেতাকর্মী ঢাকা চলে এসেছেন। খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন তারা যে কোনো মহৃল্যে ঢাকায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চান।

খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই কার্যালয়ের আশপাশে কড়াকড়ি আরোপ করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়কে ঘিরে গতকাল সকাল থেকেই পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। সমকাল

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন