শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮ ০২:৪৯:২০ পিএম

যে কারণে রাতের আঁধারে জিয়ার এতিমখানায় নতুন সাইনবোর্ড

জাতীয় | বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ০১:৩৫:৪২ পিএম

বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে। খালেদা জিয়া এখনো আদালতে পৌঁছাতে পারেননি এবং নামাজের বিরতির পর দুপুরের খাবারের বিরতি নিয়েই আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, বিস্তীর্ণ ফসলি জমির বুকে বহুল আলোচিত জিয়াউর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত এতিমখানাতে রাতের আধারেই লাগানো হয়েছে নতুন সাইনবোর্ড। বগুড়ার গাবতলী-গোলাবাড়ী আঞ্চলিক সড়ক অতিক্রম করার পরই চোখে পড়বে তরফ সরতাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেই বিদ্যালয়ের পেছন ঘেঁষে সদ্য লাগানো একটি সাইনবোর্ড দেখা গেলো। তাতে লেখা ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’।

১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে এই প্রতিষ্ঠানের নামে বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় দাঁড়াইল মৌজায় স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৯ বিঘা জমি কেনা হয়। তৎকালীন বিএনপির সংসদ সদস্য, বর্তমানে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু এই জমি কেনেন।

কিন্তু এরই মধ্যে প্রায় ২৫ বছর পার হতে চললেও সেখানে একটি সাইনবোর্ড সাঁটানো ছাড়া আর কোনো স্থাপনা করা হয়নি। সময়ের ব্যবধানে সাইনবোর্ড মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। পরে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ‍মামলার রায় ঘনিয়ে আসায় মাসখানেক আগে সেখানে আরেকটি নতুন সাইনবোর্ড সাঁটানো হয়। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

ট্রাস্টের নামে ওই সময় চার লাখ টাকা তুলে এই ৯ বিঘা জমি ১২-১৩ জন মালিকের কাছ থেকে কেনা হয়। তবে জমিতে অবকাঠামো নির্মাণ ও কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত জমির মালিকরা তা ভোগ করতে পারবেন- এমন চুক্তি ছিল।

পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম চালু হলে জমির মালিকদের যোগ্য সন্তানরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরি পাবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু দিন গড়িয়ে গেলেও এসবের কিছুই পাননি জমির মালিকরা। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর নামে জমির একজন বিক্রেতা ওই জমি বছরে এক লাখ টাকায় পত্তন নিয়ে চাষাবাদ করছেন।

আব্দুর রহমান বলেন, তার মামা আব্দুল গফুর, বেল্লাল হোসেন, মোফা, আয়েজ উদ্দিন, রকিবুল্লাহর কাছে থেকে সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু প্রায় ৮৭ শতাংশ জমি প্রতি শতক ১ হাজার ২শ হিসেবে কেনেন।

তরফ সরতজা গ্রামের আব্দুল মালেক, আব্দুস সালেক, ধামাচাপা গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি আব্দুল আজিজসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, বাকি জমি হিরণ, লক্ষ্মী সরকার, রবি, করিম মণ্ডল, মজিবরসহ অন্যদের কাছ থেকে একই দামে কেনা হয়।

ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক বলেন, ‘কেস ফেসের কারণে সাইনবোর্ড নতুন করা হয়েছে। এর আগের সাইনবোর্ড মরিচা পড়ে জীর্ণ-শীর্ণ হয়ে পড়েছিলো।

সূত্র: পূর্বপশ্চিমবিডি

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন