সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮ ০৫:৫০:১৭ পিএম

বেগম জিয়া শাস্তি পেয়েছে জেনে যা বললেন এই ৪ তারকা

বিনোদন | শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ১২:৪৯:১৩ পিএম

এতিমের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া অরফানেজ দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর তারেক জিয়াসহ ৪ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। এর পরপরই বেগম জিয়াকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। এই রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কয়েকজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

ফারুক
প্রথমে বুঝতে হবে বিএনপির জন্ম কেন আর আওয়ামী লীগের জন্ম কেন? আওয়ামী লীগ দেশের প্রয়োজনে জন্ম হয়েছে। বিপরীতে বিএনপি স্বার্থের জন্য জন্ম হয়েছে। বিএনপিতে খোঁজ নিয়ে দেখলেই পাবে কতজন রাজনীতিবিদ আর কতজন ব্যবসায়ী। আর এই ব্যবসার মূল হচ্ছে তারেক ও তাঁর মা। শাস্তি তো তাদের পেতেই হবে। কতদিন জেল খাটলো এটা আমার কাছে বিষয় নয়। কিন্তু তারা যে শাস্তি পেয়েছে এর জন্য দেশবাসীর খুশি হওয়ার কথা। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এ রায়ে খুশি। তবে সরকারের বড় দায়িত্ব হলো তারেককে দেশে এনে আইনের আওতায় আনা।

তারিন
অন্যায় করলে তার শাস্তি পেতেই হবে। সেটারই বহি:প্রকাশ এই রায়। এখানে আমি কোন দলের সাপোর্টার সেটা মুখ্য নয়। আদালত রায় দিয়েছে। সেখানে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেননি তিনি। সেভাবেই জেল হেয়ে গেছে। আর প্রথম যেদিন আমি এ কেসের কথা শুনেছি। সেদিনই চেয়েছি যারা এতিমের টাকা আত্নসাৎ করে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।

সুইটি
প্রথমত এটা কোনো রাজনৈতিক পদক্ষেপ নয়। একজন অন্যায় করেছে, প্রমাণিত আদালতে। তার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এটা আমি সাধারণ ব্যাপার হিসেবেই দেখি। সেক্ষেত্রে যেহেতু তিনি বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান। সেহেতু এ নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। আমি সাধারণ মানুষ হিসেবে বলবো, সরকারের সজাগ দৃষ্টি দেয়া উচিত এ নিয়ে যেন তারা আবার জ্বালাও পোড়াও রাজনীতির পুনরাবৃত্তি করার সুযোগ না পায়। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে শক্তহাতে এগুলো হ্যান্ডেল করা উচিত। আমি বিশ্বাস করি এই সরকারের এগুলো প্রতিহত করার ক্ষমতা আছে।

সোহেল রানা
আমি টিভি দেখতেছিলাম আর অমনি ফোন দিলে। অবাক হচ্ছি এ নিয়ে বিএনপির গলাবাজি দেখে। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সতর্ক করা উচিত। এ রায় কতটা রাজনৈতিক সে প্রশ্নেও যদি যাই। শেখ হাসিনাও কিন্তু এমন মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি লড়েছেন, জিতে খালাস হয়েছেন। আর এটা এমন মামলা যেখানে চাক্ষুস সব দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আমি নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না একজন বিএনপির সিনিয়র নেতাই আমাকে বলেছে। মানে আমি তাকে কয়েকদিন আগে ফোন দিয়েছিলাম অবস্থা জানতে। তিনি বলেন, কি বলবো ভাই। ম্যাডাম আর তাঁর ছেলে যা ইচ্ছে করেছে। আমরা আগেও রাজনীতি করতাম এখনো করি। মামলা খাই। ভয়ে বাসায় থাকি না। কিন্তু ওই সময় তাদের সঙ্গে যারা ছিলেন। তারা কিন্তু কেউ আজ পাশে নেই। আমাদের আর কি করার। জেল হলে আমাদের মতো আন্দোলন করবো। এ কথাটা বলার কারণ, তাদের নিজেদের মধ্যেই ভক্তিশ্রদ্ধা উঠে গেছে। বাইরের মানুষ আমরা আর কী বলবো!

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন