বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ০৯:১১:৪৫ পিএম

বাস্তবায়িত হচ্ছে দেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

জাতীয় | শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ১২:০৮:৪৪ পিএম

বাস্তবায়িত হচ্ছে দেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। পারমাণবিক চুল্লি বসানোর জন্য প্রথম কংক্রিট ঢালাই কাজ (ফার্স্ট কংক্রিট পোরিং বা এফসিপি) শুরু হয়েছে। এবার এ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য ৬৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন স্থাপন করছে সরকার।

বিদ্যুৎকেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ব্যয়ের বিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানকার দুই ইউনিট থেকে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে ৬৬৯ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।

এ বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানায়, এ কেন্দ্রটি নির্মাণে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এর মধ্যে রাশিয়া দিচ্ছে ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা, বাকিটা দেবে বাংলাদেশ সরকার।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ হবে। এরপরই উৎপাদনে যাবে ইউনিটটি, সেখান থেকে উৎপাদিত হবে এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

উৎপাদিত এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে সঞ্চালন লাইন স্থাপন করা হবে। মোট ৬৬৯ কিলোমিটার লাইনের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার হবে ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন।

লাইনটি রূপপুর থেকে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার বাঘবাড়ি পর্যন্ত স্থাপন করা হবে। এছাড়া ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন স্থাপন করা হবে ৬০৯ কিলোমিটার।

৪০০ কেভির দীর্ঘ লাইনটি দেশের অন্যান্য এলাকাতেও যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী, রূপপুর থেকে ঢাকা পর্যন্ত ১৫৪ কিলোমিটার, আমিনবাজার থেকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা পর্যন্ত ৫১ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন স্থাপন করা হবে।

এছাড়া রূপপুর থেকে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার, বগুড়া পর্যন্ত ১০২ এবং মানিকগঞ্জের ধামরাই পর্যন্ত ১৫২ কিলোমিটার ৪০০ কেভি সঞ্চালণ লাইন নির্মিত হবে। এসব লাইন স্থাপনে ১১ হাজার ৩৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করছে সরকার।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পারমাণবিক বিদ্যুৎ) ইতি রাণী পোদ্দার বলেন, প্রথম ইউনিটে উৎপাদন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সঞ্চালন লাইনগুলো পারমাণবিক বিদ্যুৎ বিতরণে সঞ্চালন লাইন স্থাপন করা হবে। এ কাজও শেষ হবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন