শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮ ০৫:৩১:৪৯ এএম

পাকিস্তানের পর দুটি দেশে বেশি ভালোবাসা পাই: আফ্রিদি

খেলাধুলা | শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ০৭:৩৩:১১ পিএম

ক্রিকেট বিশ্বে সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা ছড়ায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের লড়াইয়ে। উপমহাদেশের দল দুটির মহারণের কথা ভাবলেই ক্রিকেটপ্রেমীদের সামনে সমরাস্ত্রের গর্জন ছাড়াই চোখের সামনে চলে আসে মাঠের যুদ্ধের চিত্র। রাজনৈতিক কারণে ক্রিকেটের এই দুই পরাশক্তি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ প্রায় আষাঢ়ের গল্প।

২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে নিজেদের মাটিতে সিরিজ স্থগিত করেছিলো ভারত। পরের বছর লাহোরে শ্রীলঙ্কা দলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা পায় পাকিস্তান দল।

সবশেষ ২০১৩ সালের পর আর কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেনি ক্রিকেটের এই দুই পরাশক্তি। তবে মুখোমুখি হয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে। সব শেষ দুদলের মধ্যে ধ্রুপদী লড়াই হয় ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে। চিরবৈরিতার ম্যাচটিতে জয় পায় পাকিস্তান।

রাজনৈতিক কারণে দুই দেশের বোর্ডের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও এখন তলানিতে প্রায়। তবে পাকিস্তানের ক্রিকেট গ্রেট শহীদ আফ্রিদি জানিয়েছেন, ভারতের বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে তার ‘আন্তরিক সম্পর্ক’ সব সময়ই বিরাজমান।

তিনি বলেন, বিরাটের সঙ্গে আমার সম্পর্ক রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্বারা প্রভাবিত হয় না। তিনি চমৎকার মানুষ এবং নিজ দেশের জন্য ক্রিকেটকে প্রতিনিধিত্ব করছেন, ঠিক যেমনটা আমি করছি।

২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন আফ্রিদি। বিশ্বের নানা প্রান্তে খেলছেন ঘরোয়া ক্রিকেট। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডে খেললেন আইস ক্রিকেট। বরফের মাঠে তার সঙ্গে ছিলেন স্বদেশী শোয়েব আক্তার, ভারতের বীরেন্দ্র শেবাগ, অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ড্রু সায়মন্ডস, নিউজিল্যান্ডের ডেনিয়েল ভেটরির মতো ক্রিকেট গ্রেটরা।

ক্রিকেটের পাশাপাশি এই তারকা ক্রিকেটার ‘শহীদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন’ নামের একটি সংস্থার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন।

এর শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করেন বিরাট কোহলি। বাইশ গজের লড়াই বন্ধ থাকলেও দুই দেশের ক্রিকেটারদের বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে তার প্রমাণ আগেই মিলেছে।

এ নিয়ে আফ্রিদি বলেন, আমি বিশ্বাস করি দুই ব্যক্তির সম্পর্কের জন্য দুটি দেশের বন্ধুত্ব আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারে। পাকিস্তানের পর যে দুটি দেশে আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা পেয়েছি তা হচ্ছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া।

দাতব্য প্রতিষ্ঠানে এর আগেও ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে উপহার পাঠানো হয়। গত এপ্রিলে আফ্রিদি অবসর নেওয়ার সময় বিরাট কোহলির একটি জার্সিতে ভারতীয় দলের সবাই স্বাক্ষর করে পাঠিয়েছিলেন। সেটি লন্ডনে তিন লাখ রুপিতে বিক্রি হয়।

গেলো আগস্টে সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তায় কাজ করতে প্রতিষ্ঠানটির জন্য নিজের ব্যাটে স্বাক্ষর করে পাঠান বিরাট কোহলি।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন