বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ০৬:৪৭:১৪ এএম

মিরপুরের উইকেট নিয়ে এবার যা বললেন আশরাফুল

খেলাধুলা | রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ০৬:১৪:১৯ এএম

:মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে শ্রীলঙ্কার কাছে ২১৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে দু'দল মিলে যেখানে করছে ১৫শ রানের বেশী। সেখানে ঢাকায় মিরপুরে দুদলেরই রান তারা করতে অনেক হিমশিম খেতে হয়েছে।

তবুও এখানে বাংলাদেশের চাই এগিয়ে ছিল শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কা গুটিয়ে যায় মাত্র ২২২ রানে। আর এত কম রানের জবাবে বাংলাদেশ করে মাত্র ১১০ রান। ঢাকা টেস্টে শ্রীলংকার করা ২২২ ও ২২৬ রানের জবাবে ১১০ ও ১২৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ দল। দুই ইনিংসে বাজে ব্যাটিংয়ের কারণে ২১৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায় টাইগাররা।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের এমন বাজেভাবে পরাজয় নিয়ে কথা বলেছে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান ও সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। এমনেতেই আমাদের তেমন টেস্ট খেলা হয় না। তারপর উইকেট যদি হয় অপরিচিত তাহলে ভালোরেজাল্ট আশা করা অর্থহীন মনে করছেন আশরাফুল।

আশরাফুল বলেন, এই ধরনের উইকেটে আমরা যদি ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে অভ্যস্ত হতাম তাহলে আন্তর্জাতিকে খেলতে তেমন সমস্যা হত না। যদিও আমারা হোম কন্ডিশনে খেলেছি, কিন্তু আমরা তো এই ধরনের উইকেটে খেলে অভ্যস্ত না।

যেহেতু শ্রীলংকা স্পিনে শক্তিশালী । তাই তাদের সাথে ঢাকা টেস্টে স্পিন উইকেটে খেলাটা যুক্তি সংগত ছিল। এমন প্রশ্নের আশরাফুল বলেন, পরাজয়ের পরে এমনটি আমরা বলতেই পারি। কিন্তু এই মাঠেই তো আমরা ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে টেস্ট জিতেছি। সেই চিন্তা থেকেই এই উইকেট করা হয়েছে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের স্পিনারের চেয়ে শ্রীলংকার স্পিনাররা আরও অনেক কোয়ালিটিফুল। এটা কিন্তু আমাদের মানতে হবে।

আশরাফুল মনে করেন ঢাকা টেস্টের উইকেট স্পিনবান্ধব করার আগে টিম ম্যানেজমেন্টের একটু চিন্তা করার দরকার ছিল। কারণ অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডে একজন লায়ন আর মঈন আলী ছিল। কিন্তু শ্রীলংকা দলে তিনজন স্পিনার ছিল। আপনি একজনকে সার্ভাইভ করবেন, আরেকজন এসে উইকেট নিয়ে নেবে। যেমন প্রথম ইনিংসে হেরাথ এক উইকেটও পায়নি। অথচ দ্বিতীয় ইনিংসে এসে নিল ৪ উইকেট।
তবে জাতীয় দলে প্রধান কোচ না থাকায় এমন হার কিনা। এবিষয়ে আশরাফুল বলেন, অনেক দিন হল সুজন ভাই এই দলটার সঙ্গে আছেন। রেজাল্ট না হলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তবে হ্যাঁ, ভালোমানের একজন কোচ থাকা দরকার। কারণ আমরা দেশি মানুষের কথা একরকম ভাবে শুনি, আর বিদেশি মানুষের কথা আরেক রকমভাবে শুনি। এটা আমাদের কালচারের মধ্যে চলে এসেছে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন