শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ ০১:২২:০৪ এএম

হারের কারণ জানালেন মাহমুদউল্লাহ

খেলাধুলা | শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ০৮:৩৭:১৭ এএম

সৌম্য, মুশফিকের দুটি অর্ধশত ও মাহমুদুল্লাহর ক্যাপ্টেন্স নকের ওপর ভর করে লঙ্কানদের সামনে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বড় টার্গেট দাঁড় করিয়েছিল টাইগাররা। লঙ্কানদের লক্ষ্য ছিল ১৯৪ রান। উইকেট যেমনই হোক টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য অনেকই। কারণ ওভার প্রতি ১০ রানের কাছাকাছি করতে হতো। সে কাজটি বেশ সহজেই করেছেন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যানরা।

ইনিংসের শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে ২০ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেছে সফরকারী দলটি। বোলাররা জায়গা মতো বল করতে পারেননি বলেই লঙ্কানরা কাজটা সহজে করেছেন বলে মনে করেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার মতে মূলত বোলারদের ছন্নছাড়া অনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই ডুবিয়েছে বাংলাদেশকে।

বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম ওভার থেকেই লঙ্কানদের উপর চড়াও হন টাইগার ওপেনাররা। ১০ ওভারেই আসে ১০০ রান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মিলে ১৯৩ রানের স্কোর। সার্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী এটা হতে পারতো আরও বড়। তাহলে কি ব্যাটিংয়ে কি ঘাটতি ছিল বাংলাদেশের?

মাহমুদউল্লাহও মানছেন ২০০ এর উপর রান করা উচিৎ ছিল তাদের। কিন্তু তারপর ১৯৩ রানেও জয় পাওয়া উচিৎ ছিল বলেও জানালেন। বোলাররা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করতে পারায় হারতে হয়েছে বলে মনে করেন অধিনায়ক।

শুরুর দিকে দ্রুত কিছু উইকেট তুলে নিতে পারলে এ স্কোরেই ফলাফল ভিন্ন হতো বলেই মাহমুদউল্লাহর বিশ্বাস, ‘ভালো উইকেটই ছিল। যদিও ব্যাটম্যানরা ভালো কাজই করেছে। তবু দুইশ, দুইশর ওপরে হলে ভালো হতো। তার পরও এটা ভালো স্কোর ছিল। কিন্তু বোলাররা ভালো লেংথে বোলিং করতে পারেনি। আমি বলব না লাইন ঠিক ছিল না। কিন্তু লেংথ ভালো ছিল না। এ কারণে হয়নি। সবচেয়ে বড় কথা শুরুতে দ্রুত উইকেট নিতে পারিনি আমরা। এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই জিনিসগুলো কাজে লাগাতে পারিনি।’

এদিন ১৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই টাইগার বোলারদের উপর তোপ দাগিয়েছেন শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা। উইকেট পরলেও কখনোই তাদের আগ্রাসন থামেনি। নিয়মিত বাউন্ডারি তুলেছেন। পাওয়ার প্লেতেই আসে ১৩টি বাউন্ডারি। অভিষিক্ত নাজমুল ইসলাম অপু ছাড়া টাইগার বোলারদের সবাই ছিলেন ভীষণ খরুচে। বোলারদের লেংথটা ঠিক ছিলোনা বলেই এমনটা হয়েছে বলে জানান অধিনায়ক, ‘এই উইকেটে লেংথটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। উইকেট খুব ভালো ছিল। ভালো ভাবে ব্যাটে আসছিল। এখানে জায়গা দিলে রান করা সহজ। বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে।’

তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজে বেশ তরুণ দল নিয়েই মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। একমাত্র রুবেল হোসেন ছাড়া দলের সবাই নবীন। তারও টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা ১৭টি। আর মোস্তাফিজুর রহমানের ১৮টি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা। বাকি সবাই একবারেই আনকোরা। তবে পার্থক্য গড়তে পারেননি অভিজ্ঞ দুই বোলারও। তাই অনভিজ্ঞতাকে দায় দিচ্ছেন না অধিনায়ক।

তবে তিনি না মানলেও টাইগার বোলারদের অনভিজ্ঞতা কিছুটা হলেও বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে অতিথিদের তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। উইকেট হারালেও সবসময়ই সাবলীল ব্যাটিং করেছেন লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন