শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮ ১১:৩৭:৩২ পিএম

জাতীয় হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে অধিনায়ক মাশরাফি

খেলাধুলা | রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ০৫:৫৮:৩৫ পিএম

তিনি অনেক ধর্মভীরু এটা অনেকেরই জানা। ধর্মীয় কাজগুলো নিভৃতে, নিরবেই করে যান। তিনি বলে থাকেন,স্রস্টার কাছে প্রার্থণা করবো এটা মিডিয়ায় জানানোর কি আছে? তার জীবন বোধ-দর্শন ও চিন্তাধারা ঠিক অন্য আট-দশজনের মতো না। ধর্মীয় চেতনাও প্রবল। সৃষ্টিকর্তার ওপর ধর্মপ্রাণ মাশরাফির আস্থা, বিশ্বাস ও ভক্তিও যথেষ্ঠ। সে কারণেই ভক্ত-সমর্থকদের ভালবাসা গড়পড়তা অন্যদের তুলনায় মাশরাফির প্রতি অনেক বেশি। নাম, ডাক, তারকাখ্যাতি আর আকাশছোয়া জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও তাই চলাফেরা ও জীবন যাপন নেহায়েত অনাঢ়ম্বর ও চাকচিক্যহীন, সাদামাটা।

গতকাল শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে কুরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে হাজির কিছুদিন আগে পবিত্র ওমরাহ হজ্জ পালন করে আসা জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি। জাতীয় হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ২০১৮’-এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের হাফেজ ইয়াসিন আরাফাত খান (৮৬ দিনে হাফেজ)-এর হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেন মাশরাফি। শনিবার সন্ধ্যায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে দেরি করে আসায় বাচ্চাদের সুরোলো কণ্ঠে কুরআন পড়া শুনতে না পারার আক্ষেপে অধিনায়ক বলেন, “এখানে প্রতিযোগীদের মতো আমার মেয়েও হুজুরের কাছে পবিত্র কুরআন শরীফ শিখছে। ভবিষ্যতে এ রকম আয়োজনে তেলাওয়াত শুনবো।”

বক্তব্যে মাশরাফি আরও বলেন, “অনুষ্ঠানে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। বাংলাদেশ থেকে দেশের বাইরে গিয়ে অনেকে কোরআন প্রতিযোগিতায় যখন পুরস্কার পায় তখন অনেক ভালো লাগে। এটা অমাদের জন্য গর্বের ব্যাপার। দেশের সম্মান বাড়ে। ভবিষ্যতে আশা করি এ সংখ্যা আরও বাড়বে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং দলের খেলোয়াড়দের জন্য উপস্থিত সবার কাছে দোয়া চান ক্যাপ্টেন মাশরাফি।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন