শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ ০২:২৯:৩৮ পিএম

পাটুরিয়ায় বিকল ২ ফেরি, পারের অপেক্ষায় ৮ শতাধিক যান

জাতীয় | মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ১০:২২:২৫ এএম

দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীতে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। যানবাহনের তুলনায় ফেরি সংকট থাকায় নিত্যদিনের ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে ওই নৌরুট।

যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৬টি ফেরি রয়েছে। কিন্তু বহরে থাকা ১৬টি ফেরির মধ্যে বড় দু’টি ফেরি বিকল হয়ে মেরামতে যাওয়ায় ভোগান্তিও বাড়ছে দ্বিগুণ।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট পারাপারে উভয় ঘাট এলাকায় আট শতাধিক যানবাহন অপেক্ষামাণ রয়েছে বলে জানান ফেরিঘাট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

অপরদিকে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার ভাসমান কারখানা মধুমতিতে মেরামতে থাকা দু’টি ফেরির মধ্যে একটিকে মেরামতের জন্যে পাঠানো হবে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে। অপর ফেরিটি মেরামত কাজ শেষে সচল করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তারা।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন হোসেন বলেন, যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট বড় মিলে ১৬টি ফেরি রয়েছে। এর মধ্যে বড় ফেরি আমানত শাহ এবং কেরামত আলী পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার ভাসমান কারখানা মধুমতিতে মেরামতে রয়েছে। যানবাহনের তুলনায় ফেরি কম থাকার কারণে ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন থাকে।

সবশেষ পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাস ও ট্রাক মিলে প্রায় তিন শতাধিক যানবাহন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক রুহুল আমিন বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরেই দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঢাকামুখী যানবাহনের চাপ রয়েছে। সেই তুলনায় ফেরি সংকট। যে কারণে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ লাইন জমে থাকছেই।

তিনি বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় চার শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও শতাধিক বাস নৌরুট পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার ভাসমান মেরামত কারখানা মধুমতির এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, পাঁচদিন ধরে মেরামত কারখানায় রয়েছে বড় ফেরি কেরামত আলী। ফেরিটির বুশ ও হাফসসহ আরও কিছু জরুরি কাজ রয়েছে। যা এখানে করা সম্ভব নয়। তাই ফেরিটিকে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড এ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাটুরিয়া ফেরিঘাটের ফাইল ছবি

অপর আরেকটি ফেরি সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মেরামতে এসেছে। বিকেলের মধ্যে ফেরিটি সচল করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের মহাব্যবস্থাপক নাসির মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, যানবাহনের তুলনায় ফেরির সংখ্যা বাড়ানো দরকার। অথবা যে ফেরিগুলো রয়েছে সেগুলো সচল করে নৌরুটে চলাচলের উপযোগী করে তুলার দরকার।

তবে ফেরি বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেন মহাব্যবস্থাপক নাসির মোহাম্মদ চৌধুরী।

এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আজমল হোসেন বলেন, ‘এখন ব্যস্ত আছি, এ বিষয়ে পরে কথা বলবো।’

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন