সোমবার, ২১ মে ২০১৮ ০৪:৫৪:১৪ পিএম

দেশে শিক্ষা নিয়ে বাণিজ্য চলছে

জাতীয় | মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ০১:১৩:৪৯ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক হাজার কোটি টাকার শিক্ষা ট্রাস্ট গঠন করেছেন। সেখান থেকে গবেষণার জন্য, মেয়েদের উপবৃত্তির জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের সময় দেশে অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় শিক্ষার ব্যাপক প্রসার হচ্ছে। কিন্তু একইসঙ্গে দুর্ভাগ্য হচ্ছে শিক্ষা নিয়ে ব্যাপক বাণিজ্য শুরু হয়েছে, প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

এসময় মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত না হয়ে কঠোর পরিশ্রমের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি পরিশ্রম করতে হবে, ফেসবুকে প্রশ্নফাঁসের আশায় বসে থাকলে হবে না। ফেসবুক, কম্পিউটারে বুঁদ হয়ে থাকলে মস্তিষ্ক বিকল হয়ে যায়। এটা আমার কথা নয়, বিশেষজ্ঞরা এমনটাই বলছেন।

আমাদের দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা বার বার হোঁচট খেয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ২০১০ জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে বর্তমান সরকার। যা সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। তখন কতিপয় ধর্মান্ধ এই শিক্ষানীতির বিরোধিতা করলেও পরে মেনে নিয়েছে।

স্কুলটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ স্কুলের সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় হলো, এখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা ইউনিট রয়েছে। আমাদের সমাজের প্রতিবন্ধী শিশুদের সহযোগিতার মাধ্যমে মূল ধারায় নিয়ে আসতে হবে। সে কাজটাই এ স্কুল করছে, এজন্য আমি স্কুলের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে। মাদক একদিকে সমাজকে যেমন নষ্ট করছে তেমনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এজন্য শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থী সবাইকে সচেতন হতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রাইসুল সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন

আলম ময়না এবং ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেনজির আহমেদ।

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে বিভিন্ন শাখায় যথাক্রমে একাডেমিক ক্ষেত্রে ২৩৪ জন, ক্রীড়া ক্ষেত্রে ১০৭ জন এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ১০৬ জনসহ মোট ৫০১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সবশেষে বেলা ১২টা থেকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন