বুধবার, ১৫ আগস্ট ২০১৮ ১০:৫৮:৫৫ এএম

বিজিবি-বিজিপির বৈঠক শুরু

জাতীয় | শুক্রবার, ২ মার্চ ২০১৮ | ০৪:৫১:১৭ পিএম

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে পতাকা বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি।

শুক্রবার (২ মার্চ) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের শূন্যরেখায় ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সেতু’ সংলগ্ন পয়েন্টে এই বৈঠক শুরু হয়।

বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান বৈঠক শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পাঁচ সদস্যের এবং মিয়ানমারের পক্ষে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান।

মঞ্জুরুল বলেন, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে এ পতাকা বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের উস্কানি ছাড়া সীমান্তে মিয়ানমার কেন অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ করল, তা জানতে চাওয়া হবে। এছাড়া সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বৈঠকে আলোচনা করা হবে।’

সীমান্তে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান লে. কর্নেল মঞ্জুরুল।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১ মার্চ) তুমব্রু সীমান্তে কাঁটাতারের কাছে প্রায় তিন শতাধিক সেনা মোতায়েন করে মিয়ানমার। ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সেনারা সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের ভয়ভীতি দেখায়। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত প্রায় ছয় হাজার রোহিঙ্গা।

এদিকে, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অংশ থেকে ফের ফাঁকা গুলির শব্দ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে বেশ কয়েকটি ফাঁকা গুলির শব্দ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা আরো বেড়েছে। সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সদস্যরা।

এ ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুজিবুল হক বলেন, বেশ কয়েকদিন যাবত সীমান্তে মিয়ানমার সেনা সদস্যরা জিরো পয়েন্টে থাকা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত যেতে বাধা দিচ্ছে। এটি এক ধরনের পুশিং।

তিনি আরো বলেন, মিয়ানমার ওই সীমান্তে সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি করেছে, পাশাপাশি ভারী অস্ত্র ও গোলা-বারুদের সংখ্যাও বাড়িয়েছে। তাই আমাদের সীমান্তে বিজিবির পক্ষ থেকে জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে থেকে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির উদ্ভব হলে বিজিবির সদস্যরা দেশ মাতৃকার তরে নিবেদিত প্রাণ থেকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবে।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন