সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ ০৩:৪৬:০৮ পিএম

দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ২৬ বাংলাদেশি, বেঁচে আছেন ৯ জন

জাতীয় | মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮ | ১১:৫৫:২৩ এএম

নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ২২ আরোহীকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্য নয়জন বাংলাদেশি। তারা বেঁচে আছেন। এর মধ্যে নয়জন যাত্রী ও বিমানের একজন ক্রু রয়েছেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ২৬ বাংলাদেশি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বেঁচে থাকা বাংলাদেশি যাত্রীরা হলেন- শাহরিন আহমেদ, আলমুন নাহার অ্যানি, মো. শাহীন বেপারি, মো. রেজওয়ানুল হক, ইমরানা কবির হাসি, মেহেদী হাসান, তার স্ত্রী সাইয়েদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, কবির হোসেন ও শেখ রাশেদ রুবাইয়াত এবং বিমানের প্রধান পাইলট আবিদ সুলতান ও ক্রু কে এইচ এম শাফি। তবে মঙ্গলবার সকালে পাইলট আবিদের মৃত্যুর খবর আসে।

নিহত বাংলাদেশি যাত্রীরা হলেন- মো. ফয়সাল আহমেদ, ইয়াকুব আলী, আলিফুজ্জামান, বিলকিস আরা, নাহার বিলকিস বানু, আখতারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, মো. রকিবুল হাসান, হাসান ইমাম, মো. নজরুল ইসলাম, আঁখি মনি, মেহনাজ বিন নাসির, ফারুক আহমেদ প্রিয়ক, তার মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী তামারা (শিশু), রফিক জামান, তার স্ত্রী সানজিদা হক বিপাশা, তাদের ছেলে অনিরুদ্ধ জামান (শিশু), উম্মে সালমা, মতিউর রহমান, এসএম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভিন শশী রেজা, পিয়াস রায় ও মো. নুরুজ্জামান। এ ছাড়া বিমানটির কো-পাইলট প্রিথুলা রশিদ ও ক্রু খাজা হোসেন নিহতের তালিকায় রয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইউএস বাংলার উড়োজাহাজটিতে মোট ৭১ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ৬৭ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু। যাত্রীদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি, ৩৩ জন নেপালি এবং একজন চীন ও একজন মালদ্বীপের নাগরিক।

খবরটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন